বর্ষার আগে পুজালীতে লকগেট পরিদর্শন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিজস্ব প্রতিনিধি :- বর্ষার আগে জলাবদ্ধতা রুখতে তৎপর রাজ্য। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুজালীতে সুইলিস গেট পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। নিকাশি সমস্যা মেটাতে সেচ দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে দিলেন জরুরি নির্দেশ।
বর্ষা দরজায় কড়া নাড়ছে। তার আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুজালী এলাকার নিকাশি ব্যবস্থার বাস্তব চিত্র খতিয়ে দেখতে বুধবার সরেজমিনে পরিদর্শনে যান মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। প্রথমে তিনি পুজালী সুইলিস গেট এবং পরে চরিয়াল সুইলিস গেট ঘুরে দেখেন। লকগেটের বর্তমান অবস্থা, জল বেরোনোর ক্ষমতা এবং আশপাশের খাল ও নালার পরিস্থিতি খুঁটিয়ে দেখেন মন্ত্রী।স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। গত কয়েক বছরে বর্ষায় কোন কোন এলাকায় বেশি জল জমে, কোন রাস্তা দিয়ে জল নামতে সমস্যা হয়, সে বিষয়ে খোঁজ নেন। বাসিন্দারা নিকাশি নিয়ে তাঁদের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা মন্ত্রীকে জানান।পরিদর্শনের পরেই পুজালীতে সেচ দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন অগ্নিমিত্রা পাল। বৈঠকে নিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়ন, খাল ও নালার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, জমে থাকা পলি তোলা এবং দ্রুত জল নিষ্কাশনের জন্য কী কী পদক্ষেপ করা প্রয়োজন, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানতে চান, কোথায় কোথায় জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজিং দরকার এবং কোন লকগেটগুলি মেরামতির প্রয়োজন। আধিকারিকদের ১৫ দিনের মধ্যে কাজ শুরু করে বর্ষার আগেই শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।এছাড়া বর্ষাকালীন কন্ট্রোল রুম চালু রাখা, পর্যাপ্ত পাম্পের ব্যবস্থা এবং কর্মীদের ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রাখার কথাও বলেন মন্ত্রী। নিকাশি খাল দখল হয়ে যাওয়ায় জল বেরোতে সমস্যা হচ্ছে, এমন অভিযোগও ওঠে বৈঠকে। অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে প্রশাসনকে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দেন তিনি।
মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, বর্ষার সময় সাধারণ মানুষকে যাতে কোনওভাবেই জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ পোহাতে না হয়, সেটাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সেই কারণেই আগাম প্রস্তুতি হিসেবে এই পরিদর্শন ও পর্যালোচনা। সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে দ্রুত ও কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাজের অগ্রগতি তিনি নিজে নিয়মিত মনিটর করবেন বলেও জানান মন্ত্রী।
