আজকের দিনেতিলোত্তমা

হারের পরও নড়ছেন না! ‘পদত্যাগ করব না’ – হুঙ্কার মমতার

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- ২০২৬ এর বিধানসভা ভোটে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্র তৃণমূলের গড়ে থাবা বসিয়েছে বিজেপি। ২০০ এর বেশি আসন নিয়ে বাংলার মসনদ দখল গেরুয়া শিবিরের । ফলপ্রকাশের পরের দিন বড় দাবি করলেন তৃণমূল নেত্রী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটের কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বললেন, ”আমরা তো হারিনি। জোর করে মিথ্যা বলে অত্যাচার করে হারিয়েছে।গণনাকেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া, ফর্ম ১৭সি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ওরা এমনি জিতলে আমার কিছু বলার থাকত না। নির্বাচনে তো হারজিত আছে। কিন্তু আমরা হারিনি। ইস্তফা কেন দেব?

ভবানীপুর বিধানসভা আসন থেকে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত পর্যন্ত টানটান লড়াই হয়েছে। গণনাকেন্দ্রে নিজে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলনেত্রী। ফলাফল প্রকাশের পর যখন শুভেন্দু অধিকারী কে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণনায় কারচুপি করার অভিযোগ তোলেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছে তাকে । মঙ্গলবারও সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘‘সংবাদমাধ্যমও দেখাতে শুরু করল বিজেপি জিতছে। ৩-৪ রাউন্ড পর থেকেই আমাদের ছেলেদের উপর অত্যাচার শুরু করল। মেরেছে, মেয়েদেরও ছাড়েনি। ১৭ সি ফরম কেড়ে নিয়েছে।” তাঁর আরও অভিযোগ, ‘‘আমি ভিতরে ঢুকলে আমার পেটে মারে, ম্যানহ্যান্ডেল করে। ধাক্কা দিয়ে মারতে মারতে বের করে দিল। মহিলা হিসাবে শুধু নয়, একজন মানুষ হিসেবে আমায় যা অপমান করল, তাতে বুঝলাম কর্মীদের সঙ্গে কী করেছে।”

দেশের রাজনীতির ইতিহাসে নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পরেও একজন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের ঘোষণা সাম্প্রতিককালে কেউ দেখেছে বলে কারো মনে পড়ছে না । রাজ্যে পালাবদলের পরও এই ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *