আজকের দিনেবিশ্বরাজনীতি

Hormuz-Trump : হরমুজ প্রণালী খোলা নিয়ে সময়সীমা বেঁধে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্পের !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিক করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়ে ইরানকে একের পর এক হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। নির্ধারিত সময়সীমা আরও ২৪ ঘণ্টা বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট । এই নির্দেশ যদি না মানা হয় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগুলোর উপর ভয়াবহ হামলা চালানো হবে বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

বিগত ২৮ শে ফেব্রুয়ারি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকেই বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহের এই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেয় তেহরান। যার ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট এর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হরমুজ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের ব্যারেল প্রতি দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। এরপরই ওই প্রণালী খুলতে ইরানকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রথমে পাঁচ দিনের সময়সীমা দিয়েছিলেন। এরপর তা বাড়িয়ে দশ দিন করেন। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি তা আরও ২৪ ঘন্টা বাড়ালেন। নিজের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে একটি সংক্ষিপ্ত পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, “মঙ্গলবার, রাত ৮:০০টা (ইস্টার্ন টাইম)!”—তবে এর বাইরে তিনি আর কোনও বিস্তারিত তথ্য দেননি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে যে, হয় হরমুজ প্রণালী ফের খুলে দাও, নয়তো গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগুলোর ওপর ব্যাপক সামরিক হামলার মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত হও। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ও প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে, আলোচনার ইতি ঘটলে পুরো ইরান জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ নেমে আসতে পারে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-কে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “যদি তারা (ইরান) কথা না রাখে, যদি তারা জলপথটি বন্ধই রাখতে চায়, তবে পুরো দেশে তাদের যতগুলো বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং অন্যান্য ঘাঁটি রয়েছে, তার সবকিছুই তারা হারাবে।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেওয়া হয়েছে তেহরানের পক্ষ থেকে। ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ড সতর্ক করে জানিয়েছে যে – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যদি ইরানের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে তেল ঘাঁটি বা অসামরিক পরিকাঠামোর মতো লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়, তবে তারা সমগ্র অঞ্চলজুড়ে একই লক্ষ্যবস্তুতে হামলা আরো জোরদার করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *