আজকের দিনেতিলোত্তমা

‘জোর করে ভবানীপুরে হারানো হয়েছে’ মমতার পিটিশন গ্রহণ করল হাইকোর্ট, শুনানি কবে?

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- ২০২৬ বিধানসভা ভোটের রেজাল্টে তৃণমূলের ভরাডুবি। এইদিকে এই হার সহজে মেনে নিতে পারেননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বছরের বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লড়াই করেছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতাকে পরাজিত করেন শুভেন্দু। এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ভবানীপুরে তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পিটিশন গ্রহণ করল হাইকোর্ট।

মমতার আইনজীবীর প্রাথমিক বক্তব্য শুনে বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত বলেন, ‘মামলার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তাই মামলা গ্রহণ করা হল। এর পরেই আদালতের নির্দেশ, মামলার অন্য পক্ষকে মামলায় যুক্ত করে নথি দিতে হবে। যাঁর বিরুদ্ধে মামলা, তাঁর অর্থাৎ ভবানীপুরের বর্তমান বিধায়ক ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে মামলার নথি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, ভবানীপুরের ভোটগণনা কেন্দ্রের যাবতীয় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ, ইভিএম, ভিভি প্যাট সংরক্ষণ করতে হবে, এই ব্যাপারে পদক্ষেপ করবে নির্বাচন কমিশন। গণনার দিন, ৪ মে ওই বিধানসভা কেন্দ্রের কাউন্টিং হল–এর ভিতর ও বাইরের ছবি এবং কোনও ইভিএম ও ভিভি প্যাটের যাতে কোনও ভাবে ক্ষতি বা বিকৃত না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আট সপ্তাহ পর।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে আইনজীবী ছিলেন তৃণমূলের আইনজীবী–সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দিন তিনি বলেন, গণনায় দ্বাদশ রাউন্ড পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৭৮০০ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। এর পর তাঁর বিরোধী প্রার্থী গণনাকেন্দ্রে ঢোকেন। আমার মক্কেলের তরফে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আমাদের এজেন্টদের মেরে বার করে দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী হুমকি দেয়। গণনার ত্রয়োদশ রাউন্ড থেকে অন্য পক্ষের ভোট বাড়তে থাকে।’ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও অভিযোগ, ‘২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের যিনি রিটার্নিং অফিসার ছিলেন,  সেই নির্বাচনী আধিকারিক এবারেও ভবানীপুরে সেই একই দায়িত্বে ছিলেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *