FORM 7 : ফর্ম-৭ ঘিরে তুমুল বিতর্ক! নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কায় সরব তৃণমূল-বাম-কংগ্রেস, পাল্টা তোপ বিজেপির
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- এসআইআরের পর এবার এসএসআর বা ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ফের বিতর্ক (FORM 7)। মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে সর্বদলীয় বৈঠকে ফর্ম-৭ নিয়ে একযোগে সরব হল তৃণমূল, বাম ও কংগ্রেস। পাল্টা বড়সড় ভুলের অভিযোগ তুলল বিজেপি। নিয়ম অনুযায়ী, (FORM 7) একটি বিধানসভা কেন্দ্রে একজন ব্যক্তি প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০টি ফর্ম-৭ জমা দিতে পারবেন। এই নিয়মের অপব্যবহার করে যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার আশঙ্কা (FORM 7) করছে বিরোধীরা।
তৃণমূলের কুণাল ঘোষের অভিযোগ, (FORM 7) এসআইআর এখনও অসম্পূর্ণ, তার মধ্যেই এসএসআর চাপানো হচ্ছে। ফর্ম-৭ জমা পড়লে নিষ্পত্তি কতদিনে হবে, তার স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া নিয়েও সরব তৃণমূল (FORM 7)। কংগ্রেসের আশুতোষ চ্যাটার্জির দাবি, কলকাতায় প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার এবং হাওড়ায় ৩৯ হাজার মানুষের ভোটাধিকার অনিশ্চিত। ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষকে ভোটদান থেকে বঞ্চিত (FORM 7) করার চেষ্টা চলছে।
বামফ্রন্টের পলাশ দাসের অভিযোগ, (FORM 7) ফর্ম-৭-এর সুযোগ দিয়ে নাম বাদ দেওয়ার রাস্তা খুলে দেওয়া হচ্ছে। মিথ্যা অভিযোগ করলে শাস্তির দাবি জানিয়েছে বামেরা। অন্যদিকে বিজেপির শিশির বাজরিয়ার পাল্টা দাবি, এসআইআরেই প্রচুর ভুল ছিল (FORM 7)। বালিতে একজনের ৩১০ জন সন্তান, আসানসোলে একজনের ৩৮৯ জন সন্তান থাকার মতো অসংগতি তালিকায় রয়েছে। এই ভুল সংশোধন (FORM 7) করতেই হবে।
কী এই ফর্ম-৭? (FORM 7)
কারও নাম অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও তালিকায় থাকলে আপত্তি জানাতে ফর্ম-৭ জমা দিতে হয়। মৃত্যু, স্থায়ীভাবে কেন্দ্র বদল, (FORM 7) একই ব্যক্তির একাধিক নাম, অ-নাগরিক বা নাবালকের নাম বাদ দিতে এই ফর্ম ব্যবহার হয়। জমা পড়ার পর ERO শুনানি করেন। মিথ্যা তথ্য দিলে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ৩১ ধারায় শাস্তি হবে। অনলাইনে ভোটার্স সার্ভিস পোর্টাল বা ভোটার হেল্পলাইন অ্যাপে ফর্ম-৭ জমা দেওয়া যায় (FORM 7)। ফর্ম-৭ নিয়ে একদিকে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা, অন্যদিকে ভুয়ো ভোটার বাদ দেওয়ার দাবি। স্বচ্ছ ভোটার তালিকার জন্য এই প্রক্রিয়ায় দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়াই (FORM 7) এখন সব পক্ষের কাছে চ্যালেঞ্জ।
