আজকের দিনেখেলাতিলোত্তমাবাংলার আয়নাভারত

Football : মরশুমের প্রথম ডার্বিতে মগজাস্ত্রের লড়াই! হাবাস বনাম দিলেমপেরিস, শ্রেষ্ঠ স্ট্র্যাটেজি যার জয় তার !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- ফুটবল বিশ্বকাপ ৪ বছর পর, কিন্তু ডার্বি প্রতি বছর। শনিবার ডুরান্ড কাপ দিয়েই শুরু হচ্ছে মরশুমের প্রথম কলকাতা ডার্বি। তবে এবারের ডার্বির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ মাঠের ২ জন নয়, ডাগআউটের ২ জন। মহাতারকা দুই কোচ – ইস্টবেঙ্গলের আন্তোনিও লোপেজ হাবাস এবং মোহনবাগানের প্যানাজিওটিস দিলেমপেরিস। প্রস্তুতির অভাবে বিদেশিরা না থাকায় এই ডার্বি হয়ে উঠতে চলেছে দুই কোচের স্ট্র্যাটেজির লড়াই।

মরশুম শুরুতে ডুরান্ডের ডার্বি। ফলে দুই দলেরই প্রস্তুতি অসম্পূর্ণ। দুই কোচই এসেছেন মাত্র দিন সাতেক হল। মোহনবাগানে দুই বিদেশি – দেজান দ্রাজিচ ও আলবার্তো রদ্রিগেজ। ইস্টবেঙ্গলে মহম্মদ রশিদ ও দানি রামিরেজ। কিন্তু এত কম সময়ে তাঁদের প্রথম একাদশে নামানো কঠিন।

তাই এই ডার্বির ‘রিমোট কন্ট্রোল’ থাকবে ভারতীয় ফুটবলারদের হাতে। এটাই ভারতীয়দের কাছে নিজেকে প্রমাণের সেরা সুযোগ। মোহনবাগান কোচ দিলেমপেরিস স্ট্রাইকারে মনবীর সিং, মাঝমাঠে অনিরুধ থাপা-সাহাল আব্দুল সামাদ-লিস্টন কোলাসোর উপর ভরসা রাখতে পারেন। তিনি জানিয়েছেন, “দু-তিন দিনের প্রস্তুতিতে ডার্বি কঠিন। তবে টিমে চোট নেই এটাই স্বস্তি।”

অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গল কোচ হাবাস কলকাতা ডার্বিতে এখনও অপরাজিত। রেকর্ড ধরে রাখাই তাঁর লক্ষ্য। আক্রমণে ডেভিড, মাঝমাঠে এডমুন্ড ও জিকসনের উপর ভরসা করতে পারেন তিনি। হাবাস বলেন, “মাত্র তিন দিন অনুশীলন হয়েছে। এত কম সময়ে প্রতিপক্ষকে বিশ্লেষণ করা কঠিন।” এক সময় মোহনবাগানের নয়নের মণি থাকা হাবাস আজ প্রতিপক্ষ ডাগআউটে। তাঁর কথায়, “আমি পেশাদার। আবেগের কোনও স্থান নেই।”

প্রাক্তনরা বলেন ডার্বি যে কোনও দিন যে কোনও প্লেয়ারকে তারকা বানিয়ে দিতে পারে। বিদেশি না থাকায় এবার সেই সুযোগ ভারতীয়দের সামনেই।

ডার্বি মানেই আবেগ। কিন্তু শনিবারের মহাযুদ্ধে আবেগের চেয়ে বড় হয়ে উঠতে পারে স্ট্র্যাটেজি। দুই কোচের মধ্যে যার মগজাস্ত্র ধারালো হবে, ডার্বির পোলাও-কালিয়ার স্বাদ তারই। ডুরান্ডের প্রথম দিনেই তাই অপেক্ষা হাবাস বনাম দিলেমপেরিসের স্নায়ুর লড়াইয়ের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *