Election Commission-TMC : উপনির্বাচনের আগেই তৃণমূলের প্রতীক-জট কাটাতে উদ্যোগী কমিশন, দিল্লিতে তলব মমতা-ঋতব্রত দুই শিবিরকেই !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নয়াদিল্লি :- নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনের আগেই তৃণমূলের মালিকানা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। প্রতীক-জটিলতা মেটাতে চলতি সপ্তাহেই দিল্লিতে দুই শিবিরকে তলব করেছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের সচিব অশ্বিনী কুমার মোহালের তরফে বুধবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে তলব করা হয়েছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার কমিশনের সদর দপ্তরে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠাতে বলা হয়েছে ঋতব্রত শিবিরকে। এক ঘণ্টার ব্যবধানে ডাকা হয়েছে কালীঘাট তৃণমূলের প্রতিনিধিদেরও। ইতিমধ্যেই তলবের চিঠি পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
কেন তাঁদেরই প্রতীক দেওয়া হবে, সেই ব্যাখ্যা চাওয়া হতে পারে দুই শিবিরের কাছেই। দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ১৬ সেপ্টেম্বরের আগেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন, কারণ ১৬ সেপ্টেম্বরই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ।(Election Commission-TMC)
কমিশন এক্ষেত্রে দুটি পদক্ষেপ নিতে পারে। এক, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী রায়ে প্রতীক স্থগিত করে দেওয়া, ফলে কোনও শিবিরই ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক পাবে না। দুই, কোনও এক শিবিরকে প্রতীক দিয়ে দেওয়া। সেক্ষেত্রে অন্য শিবিরকে অন্য প্রতীক নিয়ে নির্দল হিসেবে লড়তে হবে।(Election Commission-TMC)
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, প্রতীক পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে ঋতব্রত শিবিরই। কারণ তাঁদের হাতেই সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক এবং পঞ্চায়েত ও পুরসভা স্তরের জনপ্রতিনিধিদের বড় অংশের সমর্থন রয়েছে।(Election Commission-TMC)
শেষমেশ ১৬ সেপ্টেম্বরের আগে যদি ঋতব্রত শিবিরকেই প্রতীক দেওয়া হয়, তবে উপনির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খাবে কালীঘাট শিবির। সুপ্রিম কোর্টে গেলেও এই উপনির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
