ED Raids : ২৯০ কোটি টাকা দুর্নীতি মামলায় বড় অ্যাকশন ইডির, লেকটাউন ও দুর্গাপুর সহ ৪ জায়গায় তল্লাশি
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- ভুয়ো কোম্পানির জাল বিছিয়ে ব্যাঙ্ক থেকে শত কোটি টাকা হাতানোর অভিযোগ (ED Raids)। সেই মামলার তদন্তে সাতসকালে রাজ্যজুড়ে একযোগে অভিযানে নামল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবার ভোর থেকে লেকটাউন, হুগলির উত্তরপাড়া, দুর্গাপুর ও হাওড়ায় চলছে ইডির ম্যারাথন (ED Raids) তল্লাশি।
ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ঝাড়খণ্ডে। সেখানে একটি ৬৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্লান্ট স্থাপনের (ED Raids) প্রকল্প দেখিয়ে একটি বেসরকারি সংস্থা ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ২৯০ কোটি টাকা ঋণ নেয়। নিয়ম অনুযায়ী সেই টাকা প্লান্ট তৈরির কাজে ব্যবহার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, ঋণের টাকা বিদ্যুৎ প্লান্টে খরচই করা হয়নি (ED Raids)। বরং ভুয়ো কোম্পানি ও শেল কোম্পানির মাধ্যমে সেই বিপুল পরিমাণ টাকা অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং পাচার করা হয়েছে।
এই আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে নেমেই দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের নাম সামনে আসে (ED Raids)। প্রথমজন, লেকটাউনের একটি অভিজাত আবাসনের বাসিন্দা অশোক সারথি। ইডির দাবি, ওই বেসরকারি সংস্থার আর্থিক লেনদেন ও ভুয়ো কোম্পানি তৈরির (ED Raids) নেপথ্যে সরাসরি যুক্ত ছিলেন তিনি। এদিন ভোর ৫টা নাগাদ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে তাঁর ফ্ল্যাট ঘিরে ফেলেন তদন্তকারীরা। ভিতরে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ এবং একাধিক আর্থিক নথি, (ED Raids) হার্ড ডিস্ক ও কম্পিউটার খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, হুগলির উত্তরপাড়ার শিবতলা স্ট্রিটের বাসিন্দা আর এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুদীপ্ত ঘোষের (ED Raids) বাড়িতেও একই সময়ে হানা দেয় ইডির দ্বিতীয় দল। তাঁর বিরুদ্ধেও একই মামলায় আর্থিক কারচুপিতে সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। যদিও সুদীপ্তবাবুর পরিবারের দাবি, এই দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই, তাঁকে অযথা হেনস্থা (ED Raids) করা হচ্ছে।
ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই চক্রটি শুধু দুজন সিএ-র মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় (ED Raids)। এর পিছনে বড় কোনও সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছে। ঋণের টাকা কীভাবে, কোন কোন ভুয়ো অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সরানো হয়েছে, (ED Raids) তার ট্রেইল ধরতেই এই তল্লাশি। এদিন লেকটাউন ও উত্তরপাড়ার পাশাপাশি দুর্গাপুর ও হাওড়াতেও একই মামলায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার বা আটক করা হয়নি, তবে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। পুরো ঘটনায় তদন্ত (ED Raids) জারি রয়েছে।
