আজকের দিনেখেলাবাংলার আয়নাভারত

Derby’s Glamour : ডুরান্ড ফাইনালে মাঠে মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ! আরও বাড়ল ডার্বির জৌলুস !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- একে ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপের ফাইনাল, তার ওপর কলকাতা ডার্বি। রবিবাসরীয় যুবভারতী যে অন্য মাত্রা পেতে চলেছে তা বলাই বাহুল্য। আর সেই ম্যাচের জৌলুস আরও বাড়াতে গ্যালারিতে উপস্থিত থাকছেন একাধিক হাই প্রোফাইল ভিভিআইপি।

সব ঠিক থাকলে রবিবার বিকেলে মাঠে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিকেল ৫টাতেই মুখ্যমন্ত্রীর যুবভারতীতে আসার কথা, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসবেন আর একটু পরে। সঙ্গে থাকবেন রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এবং সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তারা। ডুরান্ড কাপ যেহেতু সেনাবাহিনীর পরিচালনায় হয়, তাই প্রতিবারই ফাইনালে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতি থাকে। এবার ডার্বি ফাইনাল হওয়ায় নিরাপত্তা ও আয়োজন দুটোই কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। ফলে ফাইনাল ঘিরে আগে থেকেই যুবভারতীতে সাজ সাজ রব।(Derby’s Glamour)

এবার আসা যাক মাঠের লড়াইয়ে। খাতায়-কলমে এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গলের থেকে অনেকটাই এগিয়ে মোহনবাগান। স্বদেশি-বিদেশি মিলিয়ে দলের গভীরতা অনেক বেশি। বিদেশিদের মধ্যে রয়েছেন জেমি ম্যাকলারেন, অ্যালবার্তো রদ্রিগেজ, মিগুয়েল ফেরেইরা। সঙ্গে রয়েছেন ভারতীয় জাতীয় দলের প্রায় পুরো স্কোয়াড – লিস্টন কোলাসো, সাহাল আব্দুল সামাদ, অনিরুদ্ধ থাপারা। কোচ হোসে মোলিনার পরিবর্তে এবার ডাগআউটে থাকছেন দিলেমপেরিস, তিনি সেমিফাইনালে ম্যাকলারেন ও মিগুয়েলকে অল্প সময় খেলিয়ে ফাইনালের জন্য তৈরি রেখেছেন।(Derby’s Glamour)

অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গলের সবচেয়ে বড় ভরসা কোচ আন্তোনিও হাবাস। ভারতীয় ফুটবলের সফলতম কোচ হিসেবে ডার্বির চাপ সামলানোয় তাঁর জুড়ি নেই। তাঁর ডিফেন্সিভ সিস্টেমই লাল-হলুদের তুরুপের তাস। সেমিফাইনালে দিল্লি এফসির বিরুদ্ধে ডিফেন্সে যে ভুলগুলো করেছিলেন সন্দীপ মান্ডি, জয় গুপ্তরা, ফাইনালে সেগুলো শুধরে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা থাকবে।

তবে ইস্টবেঙ্গলের চিন্তা স্ট্রাইকার পজিশন নিয়ে। রশিদ ছাড়া দিমিত্রিওস ডায়ামানতাকোসের পরিবর্তে আসা রামিরেজ এখনও ফর্মে নেই। ইকোনোমিডিসও প্রত্যাশা মতো জ্বলে উঠতে পারেননি। তাই হাবাস ভরসা রাখতে পারেন উইংয়ের ওপর। বিপিন সিংকে ভিতরে কাট করিয়ে বা তরুণ এডমুন্ড লালরিনডিকা, ডেভিডকে দিয়ে গোল তুলে আনার ছক কষতে পারেন তিনি। হাবাস থাকা মানে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত একটা অঘটনের সম্ভাবনা থেকেই যায়।(Derby’s Glamour)

মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অবশ্য মাঠের বাইরে। ৬ দিনে ৩টে ম্যাচ খেলতে হচ্ছে সবুজ-মেরুনকে, তার মধ্যে একটা আবার শিলংয়ের পাহাড়ে। সেই ক্লান্তি ফাইনালে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

রাজ্যে পালাবদলের পর একটি ডার্বি হয়েছে, সেখানে ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। এবার ডুরান্ড ফাইনাল ডার্বির মঞ্চ আরও বড়, আরও জমকালো। শেষ পর্যন্ত ক্লান্ত মোহনবাগান না কৌশলী ইস্টবেঙ্গল – যুবভারতীতে কার হাতে উঠবে ঐতিহ্যের ডুরান্ড, সেটাই দেখার।(Derby’s Glamour)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *