স্কিপিং ছাড়াই লম্বা হবে সন্তান, সহজ কিছু স্ট্রেচিং ও যোগাসনে
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতাঃ শিশুর বেড়ে ওঠার বয়সে উচ্চতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা প্রত্যেক বাবা-মার চিন্তার বিষয়।সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে বিভিন্ন অ্যাকটিভিটির মধ্যে বাচ্চাদের রাখা হয় ঠিকই । কিন্তু তাতে আপনার বাচ্চার যথেষ্ট বৃদ্ধি হচ্ছে তো? কখনো ভেবে দেখেছেন সে কথা?
ফিটনেস প্রশিক্ষকদের মতে, সঠিক ব্যায়াম বা যোগাসন হাড়ের বৃদ্ধিতে এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরণে সাহায্য করে। লম্বা বা বেঁটে হওয়ার পিছনে বংশগতির যেমন ভূমিকা থাকে। তেমনি আবার সঠিক পুষ্টির অভাব, গ্রোথ হরমোন আর থাইরয়েড হরমোনের তারতম্যের কারণেও সঠিক বয়সে বাড়বৃদ্ধি থমকে যেতে পারে। বেশির ভাগ শিশুই ইদানীংকালে ‘গ্রোথ হরমোন ডেফিসিয়েন্সি’-তে ভুগছে। এর কারণই হল ছোট থেকে হরমোনের নানা সমস্যা দেখা দেওয়া।
উচ্চতা বাড়বে সহজেই
ক্যাট স্ট্রেচ বা মার্জারাসন পদ্ধতিঃ- ব্যায়ামটি করতে হামাগুড়ির ভঙ্গিমায় মেঝেয় বসতে হবে। এতে জোর পড়বে হাতের তালু এবং হাঁটুতেও। এ বার শ্বাস নিতে নিতে পিঠ উপরের দিকে যতটা সম্ভব বাঁকাতে হবে। ৫-১০ সেকেন্ড থেকে শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে আবার আগের অবস্থানে ফিরে যেতে হবে। এই ব্যায়াম করার সময়ে কোনও ভাবেই কনুই এবং কাঁধ বাঁকালে চলবে না।
তাড়াসন পদ্ধতিঃ- উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য আসনটি খুবই উপযোগী। দুই পায়ের পাতার মধ্যে দুই ইঞ্চি দূরত্ব রেখে সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে। হাত দু’টি দু’পাশ থেকে তুলে, কনুই ভাঁজ করে নিয়ে যান মাথার পিছন দিকে। এ বার দু’হাতের আঙুল একত্রিত করুন। হাতের তালু রাখুন মাথার পিছন দিকে। শ্বাস নিতে নিতে হাত দু’টি মাথার উপর দিয়ে প্রসারিত করুন। হিল জুতো পরার মতো গোড়ালি মাটি থেকে উপর দিকে তুলতে হবে। মাটির সঙ্গে শুধুমাত্র আঙুলের অংশ স্পর্শ করে থাকবে। এই অবস্থায় গোটা শরীরেই টান পড়বে। ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড থেকে গোড়ালি নামিয়ে নিতে হবে।
ফরওয়ার্ড বেন্ডিং স্ট্রেচ পদ্ধতিঃ- মেঝেয় সোজা হয়ে বসে দুই পা ছড়িয়ে দিতে হবে। এ বার দু’হাত দিয়ে দুই পায়ের বুড়ো আঙুল ধরার চেষ্টা করতে হবে। গোড়ায় ছুঁতে সমস্যা হলেও নিয়মিত অভ্যাসে ব্যায়ামটি সহজ হবে।
বৃক্ষাসন পদ্ধতিঃ- আসনটি যে কেবল পায়ের পেশির জোর বৃদ্ধি করবে তা নয়, শরীরের ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করবে এবং মনঃসংযোগও বৃদ্ধি করবে। সোজা হয়ে দাড়িয়ে দু’টি হাত নমস্কারের ভঙ্গিতে বুকের কাছে আনতে হবে। শরীরের ভারসাম্য রেখে ডান হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের পাতাটি বাম ঊরুর উপর রাখতে হবে। পিঠ সোজা রেখে হাত নমস্কার ভঙ্গিতে মাথার উপর তুলে ৩০ সেকেন্ড শরীরের ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করতে হবে।
