আজকের দিনেঅন্যান্য

ভোটের আবহে আমজনতার নাগালের বাইরে মুরগির মাংসের দাম

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা : – রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের বাকি ১০ দিন ও নেই। এই মুহূর্তে বাংলার সমস্ত রাজনৈতিক দল প্রচারেই ব্যস্ত । দলের কর্মীদের জন্য প্রচারের মাঝেই খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে , সেই তালিকায় অন্যতম আইটেম মাংস। রাতে মাংস-ভাত বা প্যাকেটে ফ্রায়েড রাইস, চিলি চিকেনের ব্যবস্থা অনেক প্রার্থীই করছেন। দলের কর্মীদের মাংস খাওয়ানোর আঁচ এসে পড়েছে দামে।চাহিদা বাড়ার ফলে দাম বাড়ছে মাংসের। যার ফলে সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা। ভোটপর্ব শেষ না হলে মাংসের দামে বিশেষ স্বস্তি পাওয়া যাবে না।

মূলত ব্রয়লার মুরগির চাহিদা সব থেকে বেশি। প্রতিদিনই কম বেশি মুরগির মাংসের দাম বেড়ে চলেছে। মাস খানেক আগেও গোটা রাজ্যে কাটা মুরগি মাংসের দাম ছিল ১৭০-১৮০ টাকা প্রতি কিলো। বর্তমানে সেই দাম প্রায় ৩০০ টাকা ছুঁতে চলেছে। একই রকম ভাবে দেশি মুরগি ও খাসির মাংসের দাম বাড়ছে। গত কয়েকদিনে দেশি মুরগির মাংসের দাম কেজি প্রতি ৫০-৭০ টাকা বেড়েছে। কিছু দিন আগেও গোটা দেশি মুরগির দাম ছিল ৫৫০ টাকা কিলো। এখন তার দাম বেড়ে হয়েছে ৬০০-৬২০ টাকা প্রতি কিলো। ভোট মরশুমে খাসির মাংসেরও দাম বেড়েছে অনেকটাই। বর্তমানে কেজি প্রতি ৭০-৮০ টাকা বেড়েছে দাম।

জানা যাচ্ছে, ‘আগে অনেকে সপ্তাহে একদিন করে ব্রয়লার মুরগি কিনতেন। কিন্তু এখন মানুষ কিনতে পারছেন না। যে ভাবে প্রতিনিয়ত মুরগির দাম বাড়ছে, তাতে প্রতি সপ্তাহে মুরগি খাওয়া সম্ভব হচ্ছে না মানুষের। ভোট না পেরোলে পাতে আর মুরগি উঠবে বলে মনে হচ্ছে না।’ এক মুরগি ব্যবসায়ী বলেন, ‘ভোটের কারণে এখন ব্রয়লার ও দেশি মুরগি দুটোরই চাহিদা বেড়েছে। চাহিদা অনুযায়ী যোগান কম। যার ফলে দাম বেড়ে যাচ্ছে।প্রতি বছরই এই ভোটের সময় মাংসের চাহিদা বাড়ে। এবারও তার অন্যথা হয়নি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল পিকনিকের জন্য মাংস কিনছেন। অনেক পরিমাণে মাংস কেনায় অনেকটাই দাম বেড়ে গিয়েছে। যেভাবে চাহিদা বাড়ছে, তাতে আগামী কয়েক দিনে আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *