আজকের দিনেতিলোত্তমা

ভোটের আগে ভাগলপুরে অস্ত্র কারখানা ভাঙল পুলিশ

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- বঙ্গ বিধানসভা ভোটের আগে বড় সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশ। বিহারের ভাগলপুরে হানা দিয়ে একটি বড়সড় বেআইনি অস্ত্র কারখানার হদিস মিলেছে। সেখান থেকে বাড়ির মালিক-সহ মোট পাঁচজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে ২০টি সেমি ফিনিস ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, ৮টি পিস্তলের ব্যারেল এবং লেদ মেশিন, ড্রিল মেশিন-সহ বিপুল অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম।
পুলিশ সূত্রে খবর, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বাংলায় পাচারের ছক কষা হয়েছিল। ধৃতদের দফায় দফায় জেরা করে গোটা চক্রের হদিস পাওয়ার চেষ্টা চলছে। এই কারবারের পিছনে বড় কোনও মাথা আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

কয়েক দিন আগেই গড়িয়াহাট এলাকায় একটি অটো থেকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশ। তদন্তে জানা যায়, গয়া থেকে কলকাতায় ওই অস্ত্র পাচার করা হচ্ছিল। সেই সূত্র ধরেই এগোতে থাকে তদন্ত।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কলকাতা পুলিশ স্পেশাল টাস্ক ফোর্স, বিহার স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং ভাগলপুরের মধুসূদনপুর থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে একটি বাড়িতে হানা দেন আধিকারিকরা। বাইরে থেকে সেটি সাধারণ বাড়ি বলেই মনে হচ্ছিল। নিচতলায় ছিল একটি সাধারণ স্পিনিং মিল। কিন্তু তার আড়ালেই চলছিল অস্ত্র তৈরির রমরমা কারবার।
পুলিশের চাপ বাড়তেই ফাঁস হয়ে যায় গোটা চক্র। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাড়ির মালিক মহম্মদ নাসির আনসারি-সহ মহম্মদ মোনাজির, সাদ্দাম, মহম্মদ আসলাম ওরফে টিংকু, মহম্মদ সামশের আলম ওরফে ছটু এবং মহম্মদ শেহনেওয়াজকে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃতরা সকলেই ওই কারখানায় কাজ করত।

উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলি কীভাবে তৈরি হত, কোথায় কোথায় সরবরাহ করা হত এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত তা জানতে জোরদার তদন্ত শুরু হয়েছে। ভোটের আগে এই সাফল্যকে বড় পদক্ষেপ বলেই মনে করছে পুলিশ মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *