Uncategorizedআজকের দিনেবাংলার আয়নাভারত

Sudip-Kakoli : দিল্লিতে আটকে সিদ্ধান্ত, স্পিকারের কাছে ফের সময়ের আবেদন সুদীপ-কাকলিদের

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নয়াদিল্লি :- ফের সময় চেয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে ইমেল পাঠালেন এনসিপিআই-র ২০ জন সাংসদ (Sudip-Kakoli)। মঙ্গলবারই ছিল লোকসভা সচিবালয়ের বেঁধে দেওয়া জবাবের শেষ দিন। আর শেষ দিনেই পঞ্চম বারের জন্য সময় বৃদ্ধির আবেদন করলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদাররা (Sudip-Kakoli)। সূত্রের খবর, স্পিকার আপাতত দিল্লির বাইরে রয়েছেন, ফিরে এসে আবেদনের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

 

লোকসভা সচিবালয় সূত্রে খবর, (Sudip-Kakoli) এর আগেও চার বার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে অতিরিক্ত সময় চেয়েছিলেন এনসিপিআই সাংসদরা। প্রতিবারই তাঁদের আবেদন মঞ্জুর হয়েছিল। কিন্তু এবার সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজরদারির মধ্যে পঞ্চমবারের আবেদন মঞ্জুর হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্পিকার সচিবালয় আবেদনের পিছনে কী যুক্তি দেওয়া হয়েছে, (Sudip-Kakoli) তা খতিয়ে দেখছে।

 

প্রসঙ্গত, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের (Sudip-Kakoli) বিপর্যয়ের পরেই দিল্লির রাজনীতিতে বড় ভাঙন ধরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায় সহ তৃণমূলের ২০ জন লোকসভা সাংসদ একযোগে এনসিপিআই অর্থাৎ ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া নামের একটি নামগোত্রহীন দলে যোগ দেন (Sudip-Kakoli)। যোগ দিয়েই তাঁরা কেন্দ্রের এনডিএ সরকারকে নিঃশর্ত সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন। এর পর লোকসভায় তাঁদের বসার আসনও বদলে দেওয়া হয়, তাঁদের বিরোধী বেঞ্চ থেকে ট্রেজারি বেঞ্চের দিকে সরিয়ে আনা হয়। যদিও সরকারিভাবে এখনও তাঁরা এনসিপিআই (Sudip-Kakoli) সাংসদ হিসেবে স্বীকৃতি পাননি।

 

এই দলবদলের বিরুদ্ধেই লোকসভার স্পিকার (Sudip-Kakoli) ওম বিড়লার কাছে অভিযোগ জানান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের প্রতীক, তৃণমূলের ইস্তেহারে ভোটে জিতে এসে এভাবে দল বদল করা সংবিধানের দশম তফসিল বা দলত্যাগ বিরোধী আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন (Sudip-Kakoli)। তাই অবিলম্বে ওই ২০ জনের সাংসদ পদ খারিজ করা হোক।

 

যদিও সুদীপ-কাকলিদের পালটা যুক্তি, (Sudip-Kakoli) তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে দলত্যাগ করেননি, বরং তাঁদের পুরো সংসদীয় দলটিই এনসিপিআই-তে মার্জ বা সংযুক্ত হয়েছে। ফলে এটি একটি বৈধ রাজনৈতিক সংযুক্তি, (Sudip-Kakoli) এর সঙ্গে দলত্যাগ বিরোধী আইনের কোনও সম্পর্ক নেই। এখন স্পিকারকে এই আইনি ব্যাখ্যার জটই কাটাতে হবে।

 

এদিকে পুরো বিষয়টি এখন সুপ্রিম কোর্টেও বিচারাধীন (Sudip-Kakoli)। শীর্ষ আদালত ইতিমধ্যেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ ২০ জন দলবদলু সাংসদ এবং লোকসভার স্পিকারকে নোটিস পাঠিয়েছে। সাংসদদের নিয়ে সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া কতদূর এগোল তা জানতে চেয়েছে আদালত এবং এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি চেয়েছে (Sudip-Kakoli)। এই পরিস্থিতিতে পঞ্চমবার সময় চাওয়ার পর স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন এবং সুপ্রিম কোর্ট কীভাবে বিষয়টি দেখে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *