আজকের দিনেতিলোত্তমাপূজা দর্পনবাংলার আয়না

Kolkata Traffic : পুজোয় ট্রাফিক আইনকে বুড়ো আঙুল! ট্রিপল রাইডিং থেকে মদ্যপ চালক, রেকর্ড মামলা শহরে

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- দুর্গাপুজোর আলো আর ভিড়ের মাঝেই ফের (Kolkata Traffic) বেপরোয়া ছবি কলকাতার রাস্তায়। পুজোর ৭ দিনে ট্রাফিক আইন ভাঙার রেকর্ড গড়ল শহর। লালবাজারের পরিসংখ্যান বলছে, (Kolkata Traffic) পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত মোট ৪৩৫২টি মামলা রুজু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এবারও পুজোয় সবচেয়ে বেশি আইন ভেঙেছে বাইক আরোহীরা। বিশেষ করে রাত বাড়লেই বেড়েছে বাইক (Kolkata Traffic) বাহিনীর দৌরাত্ম্য।

 

পরিসংখ্যান বলছে, সবচেয়ে বেশি মামলা (Kolkata Traffic) হয়েছে হেলমেট ছাড়া বাইক চালানোর জন্য – মোট ১০৬৫টি। পঞ্চমীতে ৯২টি দিয়ে শুরু, সপ্তমীর দ্বিতীয় দিনে এক লাফে ২৬৯টি, অষ্টমীতে ২৩১টি, নবমীতে সর্বোচ্চ ২৮৫টি এবং দশমীতে ১৭৩টি মামলা হয়েছে (Kolkata Traffic)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ট্রিপল রাইডিং। একটি বাইকে তিনজন চড়ে যাতায়াতের জন্য সাত দিনে ৯৫৩টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ষষ্ঠীতে ১৮৯টি, সপ্তমীর প্রথম দিনে ১৯২টি এবং অষ্টমীতে ১৫৫টি মামলা (Kolkata Traffic) হয়েছে।

 

বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর জন্য ৬৯৯টি মামলা হয়েছে (Kolkata Traffic)। পঞ্চমী ও ষষ্ঠীতে ৬৫টি করে হলেও, সপ্তমীর দ্বিতীয় দিনে ১২৭টি এবং দশমীতে ১৩৩টি মামলা হয়। একইভাবে (Kolkata Traffic) মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্য ৬৫২টি মামলা রুজু হয়েছে। সপ্তমীর দ্বিতীয় দিনে ১২০টি, দশমীতে ১২২টি এবং নবমীতে ১১০টি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়া অন্যান্য ট্রাফিক আইন ভাঙায় আরও ৭৭৭টি মামলা এবং মোট ২০৬টি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ষষ্ঠী ও সপ্তমীর প্রথম দিনে গাড়ি (Kolkata Traffic) বাজেয়াপ্ত করার সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।

 

অন্যদিকে, ভিড়ের মধ্যে (Kolkata Traffic) অভব্য আচরণের অভিযোগে পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত ৩৯৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুজোয় বেআইনি মদ বাজেয়াপ্তের পরিমাণ এবার কম। পঞ্চমী ও ষষ্ঠী মিলিয়ে মাত্র ৬ লিটার বেআইনি মদ বাজেয়াপ্ত (Kolkata Traffic) হয়েছে। পুজোর আনন্দের মাঝে ট্রাফিক সচেতনতা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল। রাতের কলকাতায় বাইক বাহিনীর এই দাপট রুখতে আরও কড়া নজরদারির প্রয়োজন (Kolkata Traffic) বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *