Trump : ‘হরমুজ আমেরিকার’, মানচিত্র পোস্ট করে বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের, পালটা হুমকি ইরানের !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির ৬০ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সোশাল মিডিয়া ‘ট্রুথ’-এ হরমুজ প্রণালীর মানচিত্র পোস্ট করে দাবি করলেন, ওটা ‘আমেরিকার নয়া ভূখণ্ড’। পালটা ইরান বলল, প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে। ফলে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রুটকে কেন্দ্র করে সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ল।(Trump)
সম্প্রতি ট্রাম্প ট্রুথে একটি মানচিত্র শেয়ার করেন। সেখানে হরমুজ প্রণালী-সহ সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ওমান এবং ইরানের উপকূলের কিছু অংশ লাল গোল দিয়ে চিহ্নিত। মানচিত্রের উপরে বড় হরফে লেখা ‘আমেরিকার নয়া ভূখণ্ড’।
এই পোস্ট সামনে আসতেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ সঙ্গে সঙ্গেই পালটা বিবৃতি দেন। তিনি বলেন, ‘দুই দেশের সমঝোতা অনুযায়ী ইরানকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি যতদিন না আমেরিকা বাস্তবায়িত করছে, ততদিন হরমুজ বন্ধ রাখা হবে।’ অর্থাৎ সরাসরি হুমকি – হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতেই থাকবে।(Trump)
এটা অবশ্য ট্রাম্পের প্রথমবার নয়। গত সোমবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এটা একটা চমৎকার আইডিয়া। আমরা বর্তমানে হরমুজ অবরোধ করছি। এটিকে আমেরিকার ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করার বিষয়টি আমার বেশ পছন্দের। কারণ হরমুজের উপর আমাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।’
এর আগেও গত শুক্রবার লং আইল্যান্ডের রিপাবলিকান সমাবেশে তিনি বলেছিলেন, ‘খুব খারাপভাবে পরাজিত হতে থাকা ইরানকে পুরোপুরি হারানোর পর, শীঘ্রই আমি হরমুজকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করব।’ কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মানচিত্র পোস্ট করে সেই দাবি কার্যত কার্যকর করলেন তিনি।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল ও গ্যাস যাতায়াত করে। ফলে এই নিয়ে বিতর্কের প্রভাব সরাসরি পড়বে আন্তর্জাতিক বাজারে।(Trump
শান্তিচুক্তি ভাঙার পর ট্রাম্পের এই ঘোষণা ও ইরানের পালটা হুমকি – দুইয়ে মিলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সম্ভাবনা আরও বাড়ল। হরমুজ বন্ধ থাকলে তেলের দাম লাফিয়ে বাড়বে, আর মার্কিন দাবি মানতে না চাইলে সরাসরি সামরিক সংঘাতও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আপাতত গোটা বিশ্বের নজর ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
