Pakistan HIV Children: চূড়ান্ত গাফিলতি! পাকিস্তানের হাসপাতালে ৭৮ শিশুর দেহে এইচআইভি, মৃত ৬
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- পাকিস্তানের হাসপাতালে ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে এল। এইচআইভি! শুধুমাত্র হাসপাতালের গাফিলতির জেরে ৭৮ জন আক্রান্ত। সেইসঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে স্ক্রিনিং চালিয়ে ১২০ জনের দেহে এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত করা হয়েছে। শুধুমাত্র চরম অবহেলার কারণে ৬ জন আইআইভি আক্রান্তের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ঘটনা সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে পাকিস্তানের স্বাস্থ্যবিভাগ।
কী ঘটেছে?
- প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করাচির একটি সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় ত্রুটির কারণে অন্তত ৭৮ শিশু এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়েছে।
- কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
- অভিযোগের মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা মান না মেনে চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহারের সম্ভাবনা, বিশেষ করে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা।
এইচআইভি সাধারণত ছড়ায়:
- সংক্রমিত রক্তের মাধ্যমে
- দূষিত বা পুনরায় ব্যবহৃত সুচ/সিরিঞ্জের মাধ্যমে
- অনিরাপদ চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে
- আক্রান্ত মা থেকে শিশুর মধ্যে (গর্ভাবস্থা, প্রসব বা বুকের দুধের মাধ্যমে)
হাসপাতালের মতো জায়গায় কঠোর জীবাণুনাশক ও একবার ব্যবহারযোগ্য চিকিৎসা সরঞ্জামের নিয়ম না মানলে ঝুঁকি বাড়ে।
পাকিস্তানে এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে
পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে ২০১৯ সালে লারকানা জেলায় বড় ধরনের শিশু এইচআইভি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছিল। তদন্তে অনিরাপদ চিকিৎসা পদ্ধতি, বিশেষ করে দূষিত বা পুনর্ব্যবহৃত সিরিঞ্জ ব্যবহারের বিষয়টি উঠে এসেছিল।
শিশুদের জন্য ঝুঁকি
এইচআইভি আক্রান্ত শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। তবে বর্তমানে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (ART) নিয়মিত নিলে অনেক শিশু স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। দ্রুত শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা শুরু করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই ঘটনা পাকিস্তানের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় হাসপাতালের নিরাপত্তা, রক্ত ও ইনজেকশন ব্যবস্থাপনা এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের মান উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এনেছে।
