SHYAM STEELS PLANT: রাজ্যে শিল্পের ‘ভারী’ পদধ্বনি! মেজিয়ায় ১০ হাজার কোটির শ্যাম স্টিল কারখানার শিলান্যাস
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, বাঁকুড়া :- নতুন সরকারের মেয়াদ মাত্র ২ মাস। এর মধ্যেই রাজ্যে শিল্পায়নের পথে আরও এক বড় পদক্ষেপ। বাঁকুড়ার মেজিয়ায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগে শ্যাম স্টিলের নতুন ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ( SHYAM STEELS PLANT) । কর্তৃপক্ষের দাবি, এই কারখানা চালু হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
ডানকুনি এবং লাক্স কোজির পর এবার বাঁকুড়ার মেজিয়াকে বেছে নিল শ্যাম স্টিল। শুক্রবার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।শ্যাম স্টিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন ইউনিট চালু হলে এলাকায় অনুসারী শিল্পও গড়ে উঠবে। ফলে বাঁকুড়া ও সংলগ্ন জেলার শিল্প এবং আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।মঞ্চে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় বলেন, “কাজের খোঁজে বাংলা ছেড়ে যেতে হবে কেন, পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানোর জন্য আমরা কাজ করব। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে লড়াই করে যাব। মোট ১৫ হাজার কোটির বিনিয়োগ। ১০ হাজার কোটি বিনিয়োগ এমএসএমই-তে। মোট ৭৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হতে চলেছে এই শিল্পকে কেন্দ্র করে। আগামী ৫ বছরে যে কাজ করে দেখাব, বাংলার মানুষ তা অনুভব করবে।”অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সরকারের সঙ্গে যারা একজোট হয়ে কাজ করতে চান, তাদের স্বাগত জানাই।” তিনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে বলেন, “মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় হিন্দিভাষী দেখলেই বলতেন-বাংলাকে গুজরাত হতে দেব না। আমি বলছি, বাংলার সংস্কৃতি অটুট আছে। এবার সরকার পরিবর্তন না হলে সব বিনিয়োগ ওড়িশায় চলে যেত। রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বেরলেই পুলিশ হাত পাতত। কীভাবে সিন্ডিকেট চালিয়েছেন এতদিন। বিজেপি সরকার আসতে বাংলা-বাঙালি বেঁচে গেছেন। বিনিয়োগকারীরাও ফিরে আসতে শুরু করেছেন।” পাশাপাশি তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই প্ল্যান্টের ভিতরটা এসে ঘুরে দেখার পরামর্শও দেন।
মেজিয়ার শ্যাম স্টিল প্রকল্পকে ( SHYAM STEELS PLANT) রাজ্য সরকার শিল্পসমৃদ্ধ বাংলার দিকেই বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। ১০ হাজার কোটির বিনিয়োগ এবং হাজার হাজার কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি ঘিরে বাঁকুড়া সহ গোটা পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমানচিত্রে নতুন আশার আলো দেখছেন শাসকদলের নেতারা।
