Baruipur Incident: ‘দাদার উপর আমার পুরো ভরসা আছে’ বারুইপুরকাণ্ডে এনকাউন্টারের পর মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় নির্যাতিতার বাবা
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডে চার অভিযুক্তের মধ্যে একজনের এনকাউন্টারের মৃত্যু। এই ঘটনায় খুশি নির্যাতিতার বাবা। শনিবার এক নারকীয় ঘটনার সাক্ষী থাকে বারুইপুর। এক এগারো বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ এর পা দিয়ে চেপে তাকে খুন করে অভিযুক্তরা। আজ এনকাউন্টারের ঘটনায় নির্যাতিতার বাবা বলেন, পুলিশের এই কাজে আমি খুশি। মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি দাদা বলে সম্বোধন করে বলেন, দাদার উপর আমার পুরো ভরসা আছে। দাদার কাছে আমি খুশি’। বারুইপুর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় চার অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর মণ্ডল, আনন্দ সর্দার ও কবীর মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রবিবার সকাল থেকেই বারুইপুর ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে উত্তপ্ত গোটা বাংলা। পুলিশ গ্রেফতার করে চারজনকে। যার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ৬ সদস্যের সিট গঠনের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফোনে কথা বলেন নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে। কয়েকঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয় তিন অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর মণ্ডল, আনন্দ সর্দারকে। গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার নিজে বারুইপুর গিয়েছিলেন শুভেন্দু। কথা বলেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে। আশ্বাস দেন সুবিচারের। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যে অভিযুক্ত তার ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট দেওয়া হবে। মঙ্গলবার পুনর্নির্মাণের সময় প্রভাস মণ্ডল নিয়ে যায় প্রভাস মণ্ডল। আর ঠিক তখনই ওই এলাকার বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে অলি গলি সবই চেনা ছিল প্রভাসের। আর ঠিক তখনই পুলিশের কোমর থেকে বন্দুক নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপরই আত্মরক্ষায় গুলি চালান পুলিশ অফিসার অর্ঘ্য মণ্ডল। সেই গুলিতে লাগে প্রভাসের গায়ে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে পুলিশ জানায় মৃত্যু হয়েছে প্রভাসের। এদিকে রাতেই গ্রেফতার হয়েছে চতুর্থ ‘ধর্ষক’ কবীর মোল্লা। মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশের ভূমিকায় খুশি নির্যাতিতার পরিবার।
এপ্রসঙ্গে নির্যাতিতার বাবা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আমার দাদা। দাদা আমাকে কথা দিয়েছিলেন দোষীরা কেউ ছাড় পাবেন না। দাদার উপর আমার পুরো ভরসা আছে। দাদার কাজে আমি খুশি। পুলিশও খুব ভালো কাজ করেছে। আমার মেয়ে বিচার পাবে, আমার বিশ্বাস দাদা কথা রাখবেন।” উল্লেখ্য, এনকাউন্টারে প্রভাসের মৃত্যুর খবরে ‘ঠিক হয়েছে’ বলেই মন্তব্য করেছেন মৃতের মা ও স্ত্রী। স্ত্রীয়ের কথায়, ‘ও বরাবরই নোংরা। বিয়ের পর থেকে অনেক অত্যাচার সহ্য করেই সংসার করছি। তাই ওই কাজ করেনি বলতে পারব না।‘ প্রভাসের মা’ও বলেন, নেশা করত। কাজ করত না। বাচ্চা মেয়েটার সঙ্গে যা করেছে, তার শাস্তি পেয়েছে, ঠিক হয়েছে।”
প্রতিবেশীরাদের মুখেও একই বক্তব্য। প্রভাসের এই শাস্তিতে খুশি তাঁরাও।
