Pune Incident: হবুর স্ত্রীর হাতে নাতির মর্মান্তিক পরিণতি সইতে না পেরে মৃত্যু কেতনের দাদুর
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- বাড়ির একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে শোকে পাথর পুণের ব্যবসায়ী পরিবারটির। কেতন আগরওয়ালের মৃত্যু। পাহাড় থেকে তাকে ধাক্কা দিয়ে হত্যা। এর পিছনে পরিকল্পনাকারী যে তার হবু স্ত্রী সিয়া গোয়েল সেই কথা ভাবতে গিয়ে শিউরে উঠেছে আগরওয়াল পরিবার। নাতি কেতনের মৃত্যুর আঘাত নিতে পারেননি তাঁর ঠাকুরদা, এবার মৃত্যু হল তাঁরও। খুব অল্প সময়ে পরিবারে দুই সদস্যকে হারিয়ে শোকে দিশেহার পরিবারটি। শনিবার রাত পৌনে ১০ টা নাগাদ মৃত্যু হয় ঠাকুরদা দেবীচাঁদের। পরিবারটি জানিয়েছে, নাতির মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এই একাত্তরের বৃদ্ধ মানুষটি। তাঁকে পুণের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল সম্প্রতি। সেখানেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। পরিবারের সদস্যেরা জানিয়েছেন, কেতনের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন দেবীচাঁদ। তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছিল। কেতনের মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকেই মানসিক ভাবেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। পরিবারের সদস্যদের দাবি, নাতির মৃত্যুর শোক সহ্য করতে পারেননি বৃদ্ধ।
কেতন খুন হন গত ১৮ জুন। তাঁকে খুনের অভিযোগ ওঠে সিয়া গোয়েল ও তার তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধরীর বিরুদ্ধে। নাতির খুনের বিচার চেয়ে গত ২৭ জুন অসুস্থ শরীরেই ওই প্রতিবাদ মিছিল থেকে সিয়া এবং চেতনের ফাঁসির দাবি জানান। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেছিলেন, আমার ভরসা ছিল কেতন। ওকে এইভাবে খুন করা হল। বৃদ্ধ বয়সে আমার একমাত্র সহায়কে কেড়ে নেওয়া হল।’’
সিয়াদের পরিবারের সঙ্গে তাঁদের পরিবারের কী ধরনের এবং কত বছরের সম্পর্ক রয়েছে সে কথাও তুলে ধরেছিলেন দেবীচাঁদ। তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমার সিয়াদের পরিবারকে ৩৫ বছর ধরে চিনি ও জানি। কী ভাবে আমার নাতির সঙ্গে এমনটা করতে পারল? সিয়ার পরিবারের লোকেরা সবাই ওর প্রেমের কথা জানত। তার পরেও এই বিয়ের জন্য ওর কাকিমা জোরাজুরি করেন। আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল, সিয়া খুব ভালো মেয়ে, এই বলে।
