আজকের দিনেখেলা

সরকারি ঘোষণা শুধু সময়ের অপেক্ষা, ইস্টবেঙ্গলের হটসিটে হাবাস— লাল-হলুদে সন্দীপ মান্ডিও

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- জল্পনার অবসান। অস্কার ব্রুজোর বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের হটসিটে বসতে চলেছেন অ্যান্তোনিয় লোপেজ হাবাস। ক্লাব সূত্রে খবর, চুক্তি চূড়ান্ত। সরকারি ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। এক প্লাস এক চুক্তিতে লাল-হলুদে যোগ দিলেন তিনবারের আইএসএল জয়ী কোচ। তাঁর পরামর্শেই ডিফেন্ডার সন্দীপ মান্ডিকেও সই করাল ইস্টবেঙ্গল।

অস্কার চলে যাওয়ার পর থেকেই হেভিওয়েট কোচের খোঁজে ছিল ইস্টবেঙ্গল। তালিকায় অনেক নাম এলেও শেষ পর্যন্ত বাজি ধরল হাবাসের অভিজ্ঞতায়। কলকাতা ফুটবলে হাবাস অচেনা নাম নন। এটিকে-র হয়ে ২০১৪ ও এটিকে মোহনবাগানের হয়ে ২০১৯ সালে আইএসএল জিতেছেন। ২০১৯-২০ মরসুমে এটিকে-মোহনবাগানকে চ্যাম্পিয়ন করেন, পরের মরসুমে তোলেন ফাইনালে। যুবভারতীতে তাঁর রক্ষণ জমাট রেখে পাল্টা আক্রমণের কৌশল দেখেছে ময়দান। তিনটে আইএসএল ট্রফি পকেটে থাকা স্প্যানিশ কোচকেই তাই এএফসি কাপের আগে বেছে নিল ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট।

চলতি বছর ইস্টবেঙ্গল এএফসি কাপ খেলবে। মহাদেশীয় মঞ্চে লড়াইয়ের জন্য হাবাসের মতো পোড় খাওয়া কোচেরই দরকার ছিল বলে মনে করছে ক্লাব। দায়িত্ব নিয়েই দল গোছাতে নেমেছেন হাবাস। তাঁর কথা মতোই ডিফেন্ডার সন্দীপ মান্ডিকে সই করিয়েছে লাল-হলুদ। রক্ষণ মজবুত করাই প্রথম লক্ষ্য স্প্যানিশ কোচের। সূত্রের খবর, বিদেশি ফুটবলার বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও হাবাসের পরামর্শকেই গুরুত্ব দেওয়া হবে। এমনকি বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলারও লাল-হলুদ জার্সিতে আসতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন। এক প্লাস এক চুক্তিতে আপাতত এক বছরের জন্য সই করছেন হাবাস, পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে বাড়বে মেয়াদ।

কলকাতা ডার্বির উত্তাপ, যুবভারতীর চাপ— সবই চেনা হাবাসের। এবার লাল-হলুদ জার্সিতে নতুন চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন তিনি। এএফসি-র পাশাপাশি আইএসএল-এও ইস্টবেঙ্গলকে উপরের সারিতে তুলতে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান স্প্যানিশ কোচ। তাঁর লক্ষ্য, জমাট রক্ষণ আর দ্রুত ট্রানজিশনে ফল বার করা।

হাবাসের হাত ধরে ইস্টবেঙ্গল কি ফের সাফল্যের রাস্তায় ফিরবে? আইএসএল-এর সফলতম কোচকে এনেই এএফসি কাপের আগে বড় বার্তা দিল লাল-হলুদ। সন্দীপ মান্ডিকে দিয়ে শুরু, এবার বিদেশি চমকের অপেক্ষায় ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। সরকারি সিলমোহর পড়লেই শুরু হবে হাবাস জমানা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *