আজকের দিনেতিলোত্তমাবাংলার আয়না

বৃষ্টিতেই বেহাল জগাছা, নোংরা জলে নেমে বাসিন্দাদের পাশে বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, হাওড়া :- বর্ষা শুরু হলেই হাওড়ার জগাছার বাসিন্দাদের কাছে যেন এক দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি ঘটে। বৃহস্পতিবারের টানা বৃষ্টির পর এলাকার বহু রাস্তাই জলমগ্ন হয়ে পড়ে। শুধু বৃষ্টির জল নয়, নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে নর্দমার নোংরা জল উপচে রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন কার্যত বিপর্যস্ত।

শুক্রবার সকালে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সাতাশি চ্যাংড়াজলা এলাকায় পৌঁছন শিবপুরের বিধায়ক তথা হাওড়া পুরসভার পরিচালন কমিটির সদস্য রুদ্রনীল ঘোষ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পুরসভার কমিশনার, ইঞ্জিনিয়ার এবং অন্যান্য আধিকারিকরাও। বিধায়ক নিজেই জমে থাকা নোংরা জলে নেমে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকাটি নিচু হওয়ায় বছরের বড় জল জমে থাকে। বর্ষার সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। বর্তমানে নর্দমার জল রাস্তায় থইথই করছে। সেই জল পেরিয়েই শিশুদের স্কুল ও কোচিংয়ে যেতে হচ্ছে,আবার কর্মজীবীদেরও একইভাবে অফিসে যেতে বাধ্য হতে হচ্ছে। এমনকি বেশ কয়েকটি বাড়ির ভিতরেও নোংরা জল ঢুকে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় পাঁচশো পরিবার এই জলবন্দি অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

এলাকাবাসীর কথায়, দীর্ঘদিন ধরে পুরসভাকে একাধিকবার জানানো হলেও স্থায়ী সমাধানের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বছরের পর বছর একই সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে, আর নোংরা জলের কারণে নানা রোগ-ব্যাধির আশঙ্কাও বেড়ে যায়।পরিদর্শনের পর রুদ্রনীল ঘোষ জানান, অতীতের পুরবোর্ডগুলি নিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়নে যথাযথ উদ্যোগ না নেওয়ায় আজ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর দাবি, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সমস্যা সমাধানে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত জমে থাকা জল সরানোর ব্যবস্থা করা হবে এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *