আজকের দিনেবিশ্ব

বাকিংহাম প্যালেসে আর থাকবেন না ব্রিটেনের রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলা, হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত?

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- প্রায় এক দশক ধরে চলা রীতির আজ সমাপ্তি ঘটতে চলেছে। ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি ক্যামিলা আর কখনই লন্ডনের বাকিংহাম প্যালেসে থাকবে না। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ রাজার দফতর এই খবর জানিয়েছে। ১৮৩৭ সালে রানি ভিক্টোরিয়া সিংহাসনে আসীন হওয়ার পর থেকে প্রায় দু’শো বছর ধরে বাকিংহাম প্যালেস ব্রিটিশ রাজা বা রানির লন্ডনের প্রধান বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই প্যালেসে রয়েছে ৭৭৫ টি কক্ষ। এই সুবিশাল প্রাসাদ শুধু রাজপরিবারের বাসস্থান নয়, এখানে রাজার প্রশাসনিক কার্যালয় আছে। সেইসঙ্গে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে রাষ্ট্রীয় ভোজ এবং রাজ পরিবারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান এখানে হয়ে থাকে। ২০১৭ সালে এই প্রাচীন প্রাসাদের সংস্কার হয়। আগামী বছর তা শেষ হওয়ার কথা। এই কাজে খরচ হবে আনুমানিক ৩৭ কোটি পাউন্ড, ভারতীয় মুদ্রায় ৪৬১৮ কোটি টাকা। ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যু হয়। রাজা হন তৃতীয় চার্লস। বাকিংহামে সংস্কারের কাজ চলায় আগের মতোই এখনও লন্ডনের ক্ল্যারেন্স হাউসে বসবাস করেন তিনি।
রাজার কোষাধ্যক্ষ এবং প্রিভি পার্সের রক্ষক জেমস চালমার্স বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, রাজা চার্লস এবং রানি ক্যামিলা ক্ল্যারেন্স হাউসেই স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে চান। তবে রাজা সেখানে থাকলেও বাকিংহাম প্যালেসই রাজতন্ত্রের প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য থাকবে। বাকিংহাম প্যালেস থেকেই সরকারি ও রাজকীয় সব গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে। বৃহস্পতিবার ব্রিটেনের রাজার দফতর জানিয়েছে, ২০২২ সালে রাজা হওয়ার পর এই প্রথম বার সরকারের কাছে দেওয়া চার্লসের ব্যক্তিগত কর সংক্রান্ত তথ্য। জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ কোটি ২৯ লাখ পাউন্ড (প্রায় ১৬১ কোটি টাকা) কর দিয়েছেন রাজা চার্লস। তিনি ব্রিটেনের সবচেয়ে বেশি কর প্রদানকারী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় রয়েছে চার্লসের নাম। ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী রাজাকে আয়কর, মূলধনী মুনাফা কর বা উত্তরাধিকার কর দিতে বাধ্য করা যায় না। তবে রাজা চার্লস তার মা রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের দেখানো পথে হেঁটেই কর প্রদান করে থাকেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *