Singur : বিশ্বমঞ্চে সিঙ্গুরের কৃত্তিকা, বাড়ির বাগানের ছবিতেই ‘ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফির অস্কার’ জয় নবম শ্রেণির ছাত্রীর
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- বাঘের ডেরায় ওঁত পেতে নয়, বাড়ির পাশের ছোট্ট (Singur) বাগান থেকেই উঠে এল বিশ্বজয়ী ছবি। লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম আয়োজিত ‘ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অফ দ্য ইয়ার’-এ (Singur) সম্মানিত সিঙ্গুরের কৃত্তিকা মুখোপাধ্যায়। ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফির দুনিয়ায় অস্কার বলে পরিচিত এই প্রতিযোগিতায় ১২১টি দেশের ৬৫ হাজারের বেশি ছবিকে পিছনে ফেলে ‘হাইলি কমেন্ডেড’ স্বীকৃতি পেয়েছে গোলাপমোহিনী মল্লিক হাইস্কুলের নবম শ্রেণির এই (Singur) ছাত্রী।
গত ১৩ অক্টোবর লন্ডনে ৬২তম (Singur) ‘ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অফ দ্য ইয়ার’ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী হয়। ১১-১৪ বছর বিভাগে কৃত্তিকার তোলা ছবি ‘হোম কমফর্টস’ পেয়েছে এই বিশেষ সম্মান। মোট ৬৫,৪০৩টি ছবির মধ্যে মাত্র ১০০টি ছবি (Singur) জায়গা পেয়েছে মূল প্রদর্শনীতে, তার মধ্যেই একটি কৃত্তিকার। এই বিভাগে স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভবত প্রথম বাঙালি এবং এ বছর তিনটি কনিষ্ঠ বিভাগ মিলিয়ে (Singur) একমাত্র ভারতীয় সে-ই।
কৃত্তিকার ক্যামেরার সঙ্গে (Singur) বন্ধুত্ব শুরু মাত্র ৯ বছর বয়সে, ক্লাস থ্রি-তে পড়ার সময়। বাবা ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার কল্লোল মুখোপাধ্যায় এবং দিদি স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও পুরস্কারজয়ী আলোকচিত্রী। বাবা-দিদির হাত ধরেই প্রকৃতিকে দেখতে শেখা। (Singur) বাড়ির বাগানের পাখি, পোকামাকড়, সবুজের মধ্যেই তৈরি হয়েছে তার পর্যবেক্ষণের জগৎ। হিমালয়ের বন-পাহাড়ে ট্রেকিং তার চোখকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। মোবাইলের নেশা নয়, সুযোগ পেলেই ক্যামেরা হাতে মাঠে-ঘাটে ঘোরে সে। (Singur) এর আগেও ‘আসফেরিকো ইন্টারন্যাশনাল’ এবং ‘মন্টফটো’ প্রতিযোগিতায় স্বীকৃতি পেয়েছে কৃত্তিকা।
এই সম্মান দেশের স্কুলপড়ুয়াদের উৎসর্গ করতে চায় কৃত্তিকা। তার বার্তা, অসাধারণ কিছু দেখতে দূরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, তা অপেক্ষা করে থাকে বাড়ির বাইরেই। কৃত্তিকার কথায়, ‘ক্যামেরার দাম নয়, জরুরি হলো দেখার চোখ’। সিঙ্গুরের বাগান থেকে লন্ডনের মঞ্চে পৌঁছে সে যেমন বাংলার মুখ উজ্জ্বল করেছে, তেমনই মনে করিয়ে দিয়েছে প্রকৃতিকে চেনার পাশাপাশি তাকে বাঁচানোর দায়ও আমাদের সবার।
