দেশবাসীকে সুরক্ষিত রাখতেই হবে ক্যাবিনেট বৈঠকে জরুরি বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে যুদ্ধের পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট বৃদ্ধি হয়েছে। যার প্রভাব থেকে বাদ যায়নি ভারত । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাচ্ছে একমাস অতিক্রান্ত হতে চলল । এই পরিস্থিতিতে গতকাল এপ্রিল মাসের প্রথম দিন কেবিনেট কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এলপিজি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহে যাদের সমস্যা না সৃষ্টি হয় তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি ।
প্রসঙ্গত ইরান যুদ্ধ শুরু হতেই গত ১ মার্চ মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরে কেটে গিয়েছে এক মাস। যুদ্ধ থামা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নানা মন্তব্য করলেও বাস্তবে যুদ্ধ থামেনি। তার প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বে। হরমুজ প্রণালীতে বহু জাহাজ আটকে থাকার জেরে অন্যান্য দেশের মতো টান পড়েছে ভারতের তেল এবং গ্যাস আমদানিতে।
যুদ্ধ একমাস অতিক্রান্ত হতেই আবারও ক্যাবিনেট কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন মোদী। সেই বৈঠকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, এলপিজি এবং এলএনজির পর্যাপ্ত সরবরাহ যেন বজায় থাকে। তেল এবং গ্যাস কেনার পরিধি আরও বাড়ানোর পক্ষেও তিনি জোর দিয়েছেন। ‘নতুন’ কিছু দেশের থেকেও ভারত জ্বালানি কিনছে। সেই সঙ্গে জ্বালানি সম্পদের কালোবাজারি রুখতে এবং কড়া পদক্ষেপ করতে রাজ্য সরকারগুলিকে অনুরোধ করেছেন মোদি। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুদ্ধের মধ্যে আমজনতাকে সুরক্ষিত রাখতেই হবে। তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে যত দ্রুত সম্ভব। হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে জাহাজ যাতে ভারতে আসতে পারে তার জন্য আন্তর্জাতিক স্তরে আলোচনা করে চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত, এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সূত্রের খবর হরমুজ সংলগ্ন এলাকায় কুড়িটি ভারতীয় জাহাজ আটকে রয়েছে । যে জাহাজগুলি ফাঁকা রয়েছে তাতেও এলপিজি বোঝাই করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। সেগুলি ভারতে এসে পৌঁছালে দেশব্যাপী গ্যাস সংকটের অনেকখানি সুরাহা হবে । এই পরিস্থিতিতে ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে ।
