আজকের দিনেগ্রীন রুমতিলোত্তমাবিশ্বভারত

Nana Patekar : ফ্ল্যাশলাইট থেকে দূরে, মানুষের কাছাকাছি: ৯০% আয় দান করা নানা পাটেকরের সাদামাটা জীবনের অজানা কাহিনি

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- বলিউডের তারকা মানেই বিলাসবহুল জীবন, কোটি টাকার বাংলো, (Nana Patekar)দামি গাড়ির সারি। সেই ছকের একেবারে উল্টো পথে হেঁটেছেন নানা পাটেকর। পাঁচ দশকের কেরিয়ারে খ্যাতির মধ্যগগনে থেকেও বেছে নিয়েছেন অতি সাধারণ জীবন। নানা পাটেকর বরাবরই (Nana Patekar)ব্যতিক্রমী। ‘ক্রান্তিবীর’ থেকে ‘নটসম্রাট’, পর্দায় তাঁর দাপুটে অভিনয় যেমন দর্শককে মুগ্ধ করেছে, তেমনই বাস্তব জীবনে (Nana Patekar) তিনি ছিলেন একেবারে মাটির মানুষ। গ্ল্যামার দুনিয়ার পার্টি, জৌলুস কোনওদিনই তাঁকে টানেনি। পরিচালক-প্রযোজকদের সঙ্গে বিবাদ, (Nana Patekar)স্পষ্ট কথা বলার জন্য বিতর্ক কম হয়নি, কিন্তু নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরেননি। কাজের জন্য কারও কাছে দরবার করেননি, (Nana Patekar)একগুঁয়েমির জন্য হাতছাড়া হয়েছে বহু ছবি, তবুও আক্ষেপ করেননি।

 

অভিনয়ের আড়ালে তিনি ছিলেন সমাজকর্মী। মহারাষ্ট্রের খরাপীড়িত (Nana Patekar)লাতুরের কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে তৈরি করেছেন ‘নাম ফাউন্ডেশন’। বন্ধু মকরন্দ আনাসপুরের সঙ্গে মিলে এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অনাথ ও দুঃস্থ শিশুদের পড়াশোনা, কৃষক পরিবারকে (Nana Patekar)আর্থিক সাহায্য, দুঃস্থদের চিকিৎসা ও বন্যা পীড়িতদের ত্রাণে কাজ করেছেন নিরন্তর। শোনা যায়, নিজের রোজগারের প্রায় ৯০ শতাংশই তিনি দান (Nana Patekar)করে দিতেন বিভিন্ন চ্যারিটিতে। তাঁর জীবনযাপন ছিল অবাক করার মতো সাদাসিধে। কেরিয়ারের শীর্ষে থাকাকালীনও মুম্বইয়ের আন্ধেরিতে মাত্র ৭৫০ স্কয়ার ফিটের এক কামরার ফ্ল্যাটে মায়ের সঙ্গে (Nana Patekar) থাকতেন। বহু বছর আগে মাত্র ১.১ লক্ষ টাকায় কেনা সেই ফ্ল্যাটেই কেটেছে তাঁর জীবনের বড় অংশ। অকৃতদার এই অভিনেতা মায়ের মৃত্যুর (Nana Patekar)পর মুম্বইয়ের কোলাহল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন।

 

প্রকৃতিকে ভালবাসতেন নানা। গাছপালার মাঝে থাকতে পছন্দ করতেন (Nana Patekar)বলেই পুণেতে ২৭ একর জমির উপর গড়ে তোলেন এক ফার্মহাউস। সেখানে সময় পেলেই নিজের হাতে চাষবাস করতেন। ওই ফার্মহাউসে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এবং সেখান থেকে (Nana Patekar)যা আয় হতো, তাও প্রান্তিক চাষিদের মধ্যে বিলিয়ে দিতেন। কেরিয়ারের শেষ পর্বে গোয়ার ডোনা পাউলায় একটি আধুনিক বাড়ি কিনেছিলেন, তবে সেটিও ছিল নিরিবিলিতে। শেষ জীবনে মুম্বই, পুণে ও গোয়া এই (Nana Patekar)তিন জায়গাতেই ভাগ করে থাকতেন, তবে পুণের ফার্মহাউসই ছিল তাঁর সবচেয়ে প্রিয়।

 

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, শেষদিকেও ছবি (Nana Patekar) পিছু ২ থেকে ৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিতেন তিনি। মুম্বইয়ের ফ্ল্যাট, পুণের ফার্মহাউস ও গোয়ার বাড়ি মিলিয়ে তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক ৫০ থেকে ৮০ কোটি টাকা। তাঁর মতো অভিনেতার (Nana Patekar)নিরিখে এই অঙ্ক নিতান্তই কম। তাঁর গ্যারেজে রয়েছে মাত্র তিনটি সাধারণ গাড়ি, যার মধ্যে কোনওটিই বিলাসবহুল নয়। ৩ বারের জাতীয় পুরস্কার, ৪ বার (Nana Patekar)ফিল্মফেয়ার ও পদ্মশ্রী প্রাপ্ত এই কিংবদন্তি প্রমাণ করে গেলেন, তারকা হতে গেলে বৈভব লাগে না, লাগে মাটির সঙ্গে যোগ। তাই তাঁর প্রয়াণে আজ শুধু বলিউড নয়, কাঁদছে মহারাষ্ট্রের সেই সব প্রান্তিক মানুষও, (Nana Patekar)যাদের পাশে তিনি নীরবে দাঁড়িয়েছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *