আজকের দিনেবাংলার আয়নারাজনীতি

ভোটারদের জন্য রান্না হল মাংস-ভাত, ঘুগনি-মুড়ি

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- প্রথম দফায় রেকর্ড সংখ্যায় ভোট পড়ার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।সেই মতন রাজ্যে প্রথম দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৯.৯৩ শতাংশ। ভোট উৎসবে উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহল সব জায়গাতে ভোর থেকেই বুথে বুথে লাইন পড়তে যেমন দেখা যায়, তেমনি বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক দলগুলিকে ভোটারদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতেও দেখা যায়!

ঝাড়গ্রামে সকাল থেকেই ভোটগ্রহণ চলছিল। সেখানকার ভোটারদের জন্য রান্না করা হয়েছিল খিচুড়ি ও মাংস। বীরভূমের দুবরাজপুরে বুথের সামনেও বিক্রি হচ্ছিল ঘুগনি-মুড়ি। সেই নিয়েও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিজেপির শহর মণ্ডল সভাপতি দেবজ্যোতি সিং ও যুব মোর্চার সভাপতি তনয় সরকার ওই ঘুগনি উলটে দেন! ঘটনায় সাময়িক উত্তেজনা ছড়ায়।

অন্যদিকে, জলপাইগুড়ির বিভিন্ন জায়গায় ভোটারদের জন্য পান-সুপারির ব্যবস্থা করা হয়েছিল।বেলপাহাড়ির কাঁকড়াঝোড় এলাকায় খিচুড়ি ও মাংস রান্না হয়। ভোটারদের জন্যই এই আয়োজন হয় বলে প্রাথমিকভাবে খবর।

বেলপাহাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির কাঁকড়াঝোড় প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৩ নম্বর বুথ। সেখানে ৬৩২ জন ভোটার রয়েছে। দেখা যায়, এলাকারই একটি জায়গায় মাংস ও খিচুড়ি রান্না হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, ভোটারদের জন্যই এই ব্যবস্থা। বড় বড় কড়াইতে বেলার মধ্যেই রান্না হয়ে যায়। ভোটাররা ভোট দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় ওই খিচুড়ি-মাংস নিয়ে গিয়েছেন। কেউ কেউ সেখানে বসেই ওই খাবার তৃপ্তি করে খান।

এই বিষয়ে বিজেপির নেতারা জানান, ওই এলাকায় বহু পরিযায়ী শ্রমিক থাকেন। এবার ভোটের জন্য এই তাঁরা ফিরেছেন। তাঁদের জন্যই এই আয়োজন করা হয়েছে। এর সঙ্গে ভোটারদের প্রভাবিত করার কোনও বিষয় নেই। যদিও এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও অভিযোগ জানানো হয়নি।

শুধু খিচুড়ি-মাংস বা ঘুগনি-মুড়ি নয়। জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি অঞ্চলে ভোটারদের জন্য পান, সুপারিও দেওয়া হয়েছিল। বিজেপি, তৃণমূলের তরফে এই আয়োজন করা হয়েছিল। তাহলে কি এখানে পান-সুপারি দিয়ে প্রভাবিত করা হয়েছে? এই কথা মানতে চায়নি রাজনৈতিক দলগুলি। জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় এমনই রেওয়াজ বহু সময় ধরে রয়েছে। এর সঙ্গে প্রভাবিত করার কোনও বিষয় নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *