আজকের দিনেতিলোত্তমা

জমি দখল-কাণ্ডে ইডির মুখোমুখি মানিকতলার তৃণমূল প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডে!

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা :- পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের আগে জাল নথির মাধ্যমে সরকারি বেসরকারি জমি দখল এবং জমিতে অবৈধ নির্মাণ মামলার তদন্ত শুরু করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর।ফের চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এল জমি দখল ও অবৈধ নির্মাণ সংক্রান্ত মামলায় প্রয়াত মন্ত্রী সাধন পান্ডের কন্যা তৃণমূল নেত্রী শ্রেয়া পান্ডের নাম। এই মামলার তদন্তে তার ঘনিষ্ঠ কল্যাণ শুক্লাকে জেরা করেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এরপরেই সোমবার সকালে তিনি সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হয়ে তদন্তকারীদের প্রশ্নের উত্তর দেন তৃণমূল নেত্রী শ্রেয়া পান্ডে।

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে,জাল নথির মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি জমি দখল করে সেখানে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে, তারই সঙ্গে যুক্ত আর্থিক লেনদেনের সূত্রে শ্রেয়া পান্ডের নাম। যদিও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি তৃণমূল নেত্রী।

এই মামলার তদন্ত শুরু হয়েছিল নির্বাচনের আগেই। বিভিন্ন মূল্যবান জমি দখল মামলার তদন্তে ইতিমধ্যেই একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর নাম সামনে এসেছে। ব্যবসায়ী জয় কামদারকে গ্রেপ্তার করেছে ইডি। পাশাপাশি গ্রেপ্তার হয়েছেন ‘ত্রাস’ সোনা পাপ্পু এবং কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন কর্তা শান্তনু সিনহাও।

তদন্তের অগ্রগতিতে কল্যাণ শুক্লার ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে বলেই ইডি সূত্রের খবর। কয়েক মাস আগে তাঁর আরবানা আবাসনের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল তথ্য উদ্ধার করে ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, মোবাইল ফোনের চ্যাট, কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং আর্থিক লেনদেনের নথি থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলেছে। বিশেষ করে বাজারমূল্যের তুলনায় অত্যন্ত কম মূল্যে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কেনাবেচার তথ্য ইডির নজরে এসেছে।এরপর প্রায় নয় ঘণ্টা ধরে কল্যাণ শুক্লাকে জেরা করা হয়। সেই জেরাতেই শ্রেয়া পাণ্ডের নাম উঠে আসে বলে ইডি সূত্রে খবর। সেই কারণেই তাঁকে সরাসরি ডেকে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার সিজিও কমপ্লেক্স এ দীর্ঘ সময় ধরে তৃণমূল নেত্রী শ্রেয়া পান্ডের সঙ্গে ইডি আধিকারিকের প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে। নির্বাচনে হারার পর একের পর এক দুর্নীতি কাণ্ডে উঠে আসছে তৃণমূলের নাম। বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিতে রাজ্যের বিদায়ী শাসক দল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *