Mamata : বিধানসভা বিপর্যয়ের পর ভাঙন ঠেকাতে তৃণমূলে বড় রদবদল: চেয়ারপার্সন মমতা, সাধারণ সম্পাদক অভিষেক !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- বিধানসভা ভোটের বিপর্যয় ও দলে ভাঙনের আবহে সংগঠন ঢেলে সাজাল তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার কালীঘাটে ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটির দীর্ঘ বৈঠকের পর নতুন কমিটির তালিকা ঘোষণা করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিটির চেয়ারপার্সন হিসেবে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে থাকছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই।
বিধানসভা নির্বাচনে ধাক্কা খাওয়ার পর দলের অন্দরে একাধিক বিধায়কের বিদ্রোহ এবং ভাঙনের জল্পনার মধ্যেই এই নতুন কমিটি গঠন তাৎপর্যপূর্ণ। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, রাজ্য তৃণমূলের সভাপতি হলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। জাতীয় কর্মসমিতির সহ-সভাপতি পদে থাকছেন সুব্রত বক্সী। অভিষেকের সঙ্গে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন ডেরেক ও’ব্রায়েন ও দোলা সেন।
রাজ্য সহ-সভাপতি হলেন সাজদা আহমেদ, মমতা ঠাকুর, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্বাতী খন্দকার। রাজ্য সাধারণ সম্পাদক পদে এসেছেন বাবর আলি, পুলক রায়, অসীমা পাত্র, অরূপ বিশ্বাস এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, ডা. রানা চট্টোপাধ্যায়, বিদেশ বোস, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত, তাপস চট্টোপাধ্যায়, বসুন্ধরা গোস্বামী ও গৌতম দেব। কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে শুভাশিষ চক্রবর্তীকে।
শাখা সংগঠনেও বদল আনা হয়েছে। যুব সভাপতি সায়নী ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক মধুরিমা ঠাকুর। মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী মালা রায়, ছাত্র পরিষদের সভাপতি প্রিয়াঙ্কা অধিকারী। শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্বে মলয় ঘটক, হকার্সে মদন মিত্র, কৃষক সংগঠনে বেচারাম মান্না, ক্ষেতমজুর সংগঠনে পূর্ণেন্দু বসু এবং SC/ST সেলের সভাপতি বীরবাহা হাঁসদা। দলের মুখপাত্র হিসেবে থাকছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষ।
বিধানসভা ভোটে বড় ধাক্কা, তারপর বিধায়কদের বিদ্রোহ ও ভাঙনের জল্পনা। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে পুরনো-নতুন মুখের ভারসাম্যে সংগঠনকে চাঙ্গা করতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই রদবদল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কিন্তু প্রশ্ন একটাই: এই নতুন কমিটি দিয়ে কতটা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারবে তৃণমূল? ভাঙন রুখে আবার স্বমহিমায় ফিরতে কতটা সময় লাগবে ঘাসফুল শিবিরের? উত্তর দেবে সময়।
