Kashmir-Pakistan Army : পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভে পাক সেনার গুলি, নিহত ৩০ : আহত দুই শতাধিক !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- আবারও উত্তপ্ত পাক-অধিকৃত কাশ্মীর। সরকার বিরোধী আন্দোলন দমাতে নির্বিচারে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল পাকিস্তানি সেনা ও পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে। জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে পথে নামা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে নিরাপত্তা বাহিনীর।
পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে কাজ করত জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি। সম্প্রতি সন্ত্রাস দমন আইনের আওতায় সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করে পাকিস্তান সরকার। সরকারি নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদেই রাস্তায় নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিশের দাবি, এদিন হাসপাতালের মর্গের বাইরে জড়ো হয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। সেখানে এক আন্দোলনকারীর দেহ রাখা ছিল। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের হটাতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পাক পুলিশের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের কাছে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, পেট্রোল বোমা ও অন্যান্য অস্ত্র ছিল।
পাল্টা বিক্ষোভকারীদের দাবি, পুলিশই নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। মর্গে রাখা দেহটির মৃত্যুও পুলিশের গুলিতেই হয়েছে। দু’পক্ষের সংঘর্ষের পরই আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ।
এদিকে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন নিয়েও বিতর্ক তুঙ্গে। আগামী ২৭ জুলাই সেখানে নির্বাচন। জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির দাবি, স্থায়ী বাসিন্দা নন এমন লোকজনই সংরক্ষিত আসনে লড়ছেন। তাই সংরক্ষণ তুলে দেওয়ার দাবিতে সকলকে পথে নামার ডাক দিয়েছিল তারা।
পাকিস্তান সরকারের পাল্টা দাবি, জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এই টানাপোড়েনের মধ্যেই শুক্রবার সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করা হয়। ৯ জুনের আগে পাক-অধিকৃত কাশ্মীর ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বলা হয়েছে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের।
সংরক্ষণ বিতর্ক ও সংগঠন নিষিদ্ধ হওয়ার জেরে ফের অশান্ত পাক-অধিকৃত কাশ্মীর। সেনা-পুলিশের গুলিতে প্রাণহানি ও বিপুল সংখ্যক আহতের ঘটনায় উপত্যকায় চরম উত্তেজনা। নির্বাচনের আগে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হওয়ার আশঙ্কা। আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দিকে।
