আজকের দিনেবাংলার আয়না

ভোট দিতে গিয়ে সমস্যায় পড়লে ফোন করুন এই নম্বরে

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা,কলকাতা:- আগামী ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ পর্ব। এই দফায় রাজ্যের রাজধানী কলকাতাসহ মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে। বুধবারের এই নির্বাচনকে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও অবাধ করতে নির্বাচন কমিশন নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে মোতায়েন করা হয়েছে রেকর্ড সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুধু তাই নয়, সাধারণ ভোটারদের সহায়তায় সিআরপিএফের পক্ষ থেকে বিশেষ হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল সেক্টর এবং রাজ্য ফোর্স কোঅর্ডিনেটর তথা সিআরপিএফের আইজি-র তরফ থেকে এই হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করা হয়। এর ফলে ভোটের দিন কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে ভোটাররা সরাসরি বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

নম্বরগুলি নোট করে নিন:

কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে তিনটি হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে। সেগুলি হল-

  • প্রথম নম্বর ৮৪২০২৭২১০১
  • দ্বিতীয় নম্বর ৮৪২০২৭২৩৪৩
  • তৃতীয় নম্বর ০৩৩২৩৬৭১১১৭

কেন এই বিশেষ নম্বর

গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন মোটের ওপর শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। দু-একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া বড় কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। সেই ধারা বজায় রেখে দ্বিতীয় দফাতেও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।

এই লক্ষ্যেই বাহিনীর পক্ষ থেকে একটি বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। ভোট দিতে গিয়ে কোনো ভোটার যদি ভয়ভীতি বা অশান্তির সম্মুখীন হন, তবে সরাসরি এই নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। খবর মেবামাত্রই দ্রুত ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তায় কোনো খামতি রাখতে চাইছে না কমিশন। দ্বিতীয় দফার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী, যা একটি রেকর্ড। বাহিনীর জওয়ানরা ইতিমিধ্যেই এলাকায় এলাকায় রুট মার্চ ও টহলদারি শুরু করেছেন। সাধারণ মানুষের মনে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে এনে তাঁদের নির্ভয়ে বুথমুখী করাই এখন বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য।

বুথ নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থা
বুথে যাতে কোনও রাজনৈতিক দল ঝামেলা পাকাতে না পারে, সেটাও নিশ্চিত করছে কমিশন। সেই মতো বুথের সামনেই মোতায়েন থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পাশাপাশি কিছু কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটের সময় এলাকায় টহলও দিতে পারেন। এছাড়া ভোট পরিচালনা করার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে স্পেশাল কন্ট্রোল রুমও তৈরি করা হয়েছে।

আর কী ব্যবস্থা?
এবার ছাপ্পা ভোট রুখতে বদ্ধপরিকর কমিশন। সেই মতো নতুন নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, ছাপ্পা ভোট দিতে গিয়ে কোনও ব্যক্তি ধরা পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির ১ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে বলেও জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। তাঁদের এখন একমাত্র লক্ষ্য নিরপেক্ষ ভোট করানো।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *