আজকের দিনেতিলোত্তমা

‘ওর ঔদ্ধত্য মানব না’ অভিষেকের মামলা লড়বেন না, স্পষ্ট জানালেন কল্যাণ, প্রয়োজনে ছাড়বেন দলও

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ আর বাংলা:- আর কত কী দেখতে হবে তৃণমূলকে? এই গলায় গলায় ভাব, আর এখন সকলের ক্ষোভ অভিষেকের দিকে। এবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা থেকে হাত তুলে নিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের আচরণে বিরক্ত হয়ে তাঁর মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বর্ষীয়ান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ছেলে শীর্ষন্ন্য-সহ যে জুনিয়র আইনজীবীরা এই মামলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তারা সরে যাচ্ছেন বলে খবর। অভিষেকের আচরণে এতটাই বিরক্ত যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মমতাদিকে বলব, হয় অভিষেককে রাখুন, আমাদের ছেড়ে দিন। নয় আমাদের রাখুন, অভিষেককে সরান’। সই জাল কাণ্ডে রক্ষাকবচ চেয়ে কিছুদিন আগেই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আর্জি জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।

মঙ্গলবার তৃতীয়বার সিআইডির হাজিরা এড়ানোর পরে অভিষেক বুঝতে পারেন পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। কারণ, তাঁর গতিবিধি জানতে এয়ারপোর্ট অথরিটির সঙ্গেও যোগাযোগ করে গোয়েন্দা আধিকারিকেরা। এই পরিস্থিতিতে বুধবার অভিষেকের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বৃহস্পতিবার অভিষেকের হয়ে সওয়াল করার কথা ছিল তাঁর। বৃহস্পতিবার হঠাৎই মামলা থেকে সরে গিয়েছেন কল্যাণ। তাঁর বদলে মামলা লড়বেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য। শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ওর জন্য দলটা শেষ হয়ে গেল, তারপরও কী ঔদ্ধত্য! কাল রাত সাড়ে ১২টায় আমার ছেলেকে ফোন করে বলছে জুনিয়রস্য জুনিয়র অয়ন এই মামলায় সওয়াল করবে। এটা শুনে আমি বলে দিয়েছি,  আমি অভিষেকের সঙ্গে নেই। ওর ঔদ্ধত্য মেনে নেব না।”  এই পরিস্থিতিতে বেঁকে বসেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যাণ বলেন, আমি মমতাদিকে বলব,  হয় অভিষেককে রাখুন, আমাদের ছেড়ে দিন। নয় আমাদের রাখুন,  অভিষেককে সরান।” কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষন্ন্য বলেন  “আমি আইনজীবী। আমি অপমানিত হতে রাজি নই। ওনার মামলা আমি লড়ব না।” এই পরিস্থিতিতে যেকোনও মুহূর্তে দল ছাড়তে পারেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইনজীবী, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *