Explosion At HPCL Refinery : অন্ধ্রে আতঙ্ক! বিশাখাপত্তনমে HPCL শোধনাগারে বিরাট বিস্ফোরণ, সালফার ট্যাঙ্কে দাউদাউ আগুন !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, বিশাখাপত্তনম :- অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে HPCL তেল শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সোমবার রাতে আচমকা পরপর বিস্ফোরণের মতো শব্দ, তারপরই শোধনাগার চত্বর থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করে ঘন কালো ধোঁয়া। মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র আতঙ্ক, দূর থেকেও দেখা যায় আগুনের শিখা।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, শোধনাগারের ভিতরে থাকা একটি সালফার পিচ ট্যাঙ্ক থেকেই আগুনের সূত্রপাত। সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্যাঙ্কে আগুন লাগার ঠিক আগেই বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল। সেই শব্দেই কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। এরপরই আকাশ ঢেকে যায় কালো ধোঁয়ায়।(Explosion At HPCL Refinery)
খবর পাওয়ামাত্রই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে HPCL-এর নিজস্ব দমকলবাহিনী, সঙ্গে জেলা প্রশাসনের দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। শোধনাগারের অন্যান্য ট্যাঙ্কে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য চারপাশে তৈরি করা হয় সুরক্ষা বলয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ালেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে আশ্বস্ত করেছেন বিশাখাপত্তনমের পুলিশ কমিশনার শঙ্খব্রত বাগচী। তিনি জানান, আগুন এখনও পর্যন্ত ওই নির্দিষ্ট সালফার পিচ ট্যাঙ্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। রিফাইনারির মূল উৎপাদন ইউনিট বা অন্য কোনও জ্বালানি ট্যাঙ্কে আগুন ছড়ায়নি। প্রশাসনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, যে ধোঁয়া ছড়িয়েছে তা আপাতত বিষাক্ত বা বিপজ্জনক নয়, তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আশপাশের বাসিন্দাদের ঘরের ভিতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।(Explosion At HPCL Refinery)
HPCL কর্তৃপক্ষও ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে। দমকলকর্মীরা ফোম এবং জল দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। কী কারণে এই অগ্নিকাণ্ড, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। সালফার পিচ অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ হওয়ায় আগুন নেভাতে সময় লাগছে বলে জানা যাচ্ছে।(Explosion At HPCL Refinery)
এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও মৃত্যু বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি, যা স্বস্তির বিষয়। তবে কীভাবে আগুন লাগল, রক্ষণাবেক্ষণে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, বা বিস্ফোরণের সঙ্গে এর সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। আপাতত আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা এবং এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরানোই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।
