Diwali Party : নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেল ককরোচদের? দীপকদের দিওয়ালি পার্টিতে কেজরি-মহুয়াদের ভিড়
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নয়াদিল্লি :- নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে পড়ল ককরোচ জনতা পার্টির? (Diwali Party) নিট প্রশ্নফাঁস থেকে ভোটার তালিকা সংশোধন, নিজেদের ‘অরাজনৈতিক’ দাবি করে এলেও এবার সরাসরি বিরোধী শিবিরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা প্রকাশ্যে। সিজেপি-র কো-কনভেনর সৌরভ দাসের দিওয়ালি পার্টিতে অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মহুয়া মৈত্র, ডেরেকদের সঙ্গে ককরোচ (Diwali Party) নেতাদের মাখামাখিতে তুঙ্গে বিতর্ক।
শুরুটা হয়েছিল ছাত্র আন্দোলন দিয়ে (Diwali Party)। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে প্রতিবাদ করে দেশজুড়ে হইচই ফেলে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। তখন থেকেই অভিজিৎ দীপকরা দাবি করে এসেছেন, রাজনীতির সঙ্গে তাঁদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই (Diwali Party)। তাঁরা স্রেফ অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন।
কিন্তু বাস্তবে সেই অবস্থান বজায় আছে কি? (Diwali Party) দিল্লির যন্তর মন্তরে যখন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে অনশন করছেন সোনম ওয়াংচুক ও ককরোচরা, তখন থেকেই বিরোধী নেতারা ধরনামঞ্চে গিয়ে দেখা করতে শুরু করেন। এরপর ভোটার তালিকা ও SIR ইস্যুতে আন্দোলনে নামতেই সিজেপির রাজনৈতিক যোগ আরও বাড়ে (Diwali Party)। এমনকি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে ইন্ডিয়া জোটের কর্মসূচিতেও সমর্থন জানায় সিজেপি। রামলীলা ময়দানের কর্মসূচিতে আমন্ত্রণও পায় তারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও দেখা করেন দীপক (Diwali Party)। মমতা বলেন, “ওরা জেন জি। যেভাবে দেশের নানা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে, তা সহজ ব্যাপার নয়।” জবাবে দীপক দাবি করেন, “ককরোচ জনতা পার্টি নিরপেক্ষ সংগঠন। আমরা সেই আদর্শ বজায় রাখতে চাই (Diwali Party)।”
কিন্তু বিতর্ক আরও বাড়ল শনিবারের দিওয়ালি পার্টি ঘিরে (Diwali Party)। সৌরভ দাসের দিল্লির বাড়ির পার্টিতে হাজির ছিলেন একঝাঁক বিরোধী ব্যক্তিত্ব। অতিথি তালিকায় ছিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, (Diwali Party) তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র, ডেরেক ও’ব্রায়েন, শিব সেনা উদ্ধব শিবির এবং এনসিপি শরদ শিবিরের নেতারা। ককরোচ প্রতিষ্ঠাতাদের অনেকেই অতীতে আপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সেই ঘনিষ্ঠতা ধরা পড়েছে পার্টিতে। সৌরভ-অভিজিৎদের (Diwali Party) বুকে জড়িয়ে ধরেন আপ সুপ্রিমো।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের প্রশ্ন, (Diwali Party) সিজেপি স্রেফ বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির দুর্নীতির বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ করে, কিন্তু ঝাড়খণ্ড বা কেরলের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে নীরব থাকে কেন? বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ককরোচদের রাজনীতিতে পদার্পণ (Diwali Party) স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। সার্বিয়াতে যেমন ছাত্রদের দল নির্বাচনে জিতেছে, ভারতেও রাহুল গান্ধী একাধিকবার ককরোচদের সমর্থনে মুখ খুলেছেন (Diwali Party)। ফলে নিরপেক্ষ ‘প্রেশার গ্রুপে’র পরিচয় আর কতদিন ধরে রাখতে পারে সিজেপি, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।
