আজকের দিনেভাগ্য লিখন

জানেন কি কত গুণ মিললে, সুখী দাম্পত্য জীবন পাবেন ?

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতাঃ- ছেলে মেয়ের বিয়ে দেবেন ভাবেছেন? কিন্তু একটা সামান্য ভুলেই তাঁদের জীবন ছাঁড়খাড় হতে পারে । জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে, বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীর জন্ম ছকেই থাকে দাম্পত্য জীবনের সুখ-দুঃখ। তাই জন্ম ছক দেখেই সাত পাকের পথে হাঁটবেন । ঠিক কত গুণ মিললে সুখের জীবন হবে আপনার ?

অ্যাস্ট্রো ও নুমেরোলজি মতে

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সব সবময় কিছু না কিছু প্রভাব ফেলে

গ্রহ-নক্ষত্র। মানুষের স্বভাব-চরিত্র, চিন্তাধারা ও ভবিষ্যতের বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়ে থাকে শাস্ত্র। বিয়ের পর দুটি মানুষের বোঝাপড়া কতটা ভাল হতে পারে, তা বলে দিতে পারে এই অ্যাস্ট্রো ছক। যে কারণে পাত্র-পাত্রীর বিয়ের আগে ‘গুণ মেলানো’ হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র ও সংখ্যাতত্ত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে একটি ‘সুখী দাম্পত্য জীবন’ গড়ে তোলার জন্য ঠিক কতগুলি গুণ মেলা দরকার সুন জেনে নিই ।

ছকে ৩৬ গুণের বৈশিষ্ট্য কী ?

জ্যোতিষ শাস্ত্রে বলা হচ্ছে, গুণ বা গুণের মিলন হয় অষ্টকূট পদ্ধতির মাধ্যমে। এই অষ্টকূটের মধ্যে রয়েছে, বর্ণ,  বশ্য়, তারা, যোনি, গ্রহ মৈত্রী, গণ, ভকূট ও নারী। এই সবকটি গুণ মিলিয়ে ধরা হয় ৩৬ গুণকে। ছকে এই গুণ বিচার কেবল কোনও নম্বর নয়, এর মধ্যে লুকিয়ে থাকে সম্পর্কের স্থিরতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা।

কত গুণ মেলাটা জরুরী
এই ৩৬ গুণের মধ্যে কমপক্ষে ১৮-২৪ টা গুণ মিললে ধরা হয় তা গ্রহণযোগ্য। পাশাপাশি ২৪-৩২ গুণ মিলে গেলে ভাল সম্পর্ক হতে পারে এমনই আশা করা যায়। পাত্র-পাত্রীর গুণ যদি ৩২-এর বেশি হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে , তা অত্যন্ত শুভ। এই ধরনের দম্পতিদের ধরা হয়, এদের জীবন পথে বোঝাপড়া খুবই ভাল হয়। জীবনের যেকোনও সিদ্ধান্ত এরা একসঙ্গে গ্রহণ করতে সক্ষম হয় এই ধরনের দম্পতি।

ছক দেখার সময় কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন

 

১ মাঙ্গলিক দোষ আছে কি না
জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, পাত্র-পাত্রীর গুণের বিচার বা কুন্ডলী ছক মেলানোর সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক মাথায় রাখতেই হয়। এই বিষয়ে সবার আগে দেখতে হয়, পাত্র বা পাত্রীর জন্মছকে ‘মাঙ্গলিক দোষ’ আছে কি না।

২ জন্মছকের সপ্তম ঘরে কী রয়েছে
মনে রাখবেন, বিয়ের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত জন্মছকের সপ্তম ঘরের অবস্থান। এই বিষয়টি বিশেষভাবে বিচার করতেই হয় জ্যোতিষীকে।
৩ রাহু বা শনি কোথায় রয়েছে
পাত্র-পাত্রীর জন্ম ছকে রাহু বা শনির অবস্থান কোথায় রয়েছে তাও দেখা উচিত। এই দুইয়ের ওপর তাদের দাম্পত্য জীবনের চড়াই-উতরাই বা উত্থান-পতন দেখা দিতে পারে।সেই কারণে একজন জ্য়োতিষ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে জন্মছক নিয়ে বিশদে আলোচনা করুন।

নাড়ী দোষঅবশ্য়ই দেখে নেওয়া উচিত 
মনে রাখবেন, এই সবের মধ্য়ে অষ্টকূট বিচার পদ্ধতিতে ৮ ‘নাড়ী’-কে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। যদি পাত্র ও পাত্রী উভয়েরই নাড়ী একই হয়, তবে সেখানে ‘নাড়ী দোষ’ সৃষ্টি হয়। জ্য়োতিষ শাস্ত্র মতে ধরা হয়, এর ফলে সন্তান-সন্ততি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নানা সমস্যা হতে পারে। তবে, জ্যোতিষশাস্ত্রে এই দোষের প্রভাব কমানোর জন্য বেশকিছু প্রতিকার বা উপায়ও নির্দেশ করা হয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *