আজকের দিনেতিলোত্তমা

ED : বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবী ইডির !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের গতকাল ১৯শে এপ্রিল রবিবার বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীলার তদন্তকারী সংস্থা ই ডি । তার সম্পর্কে আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এর । ১১০০ কোটি টাকা বেআইনি ভাবে লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে ।

আদালতে ED দাবি করেছে, জয় এস কামাদারের কাছ থেকে কিছু ডিজিটাল ডিভাইস পাওয়া গেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে ভুয়ো সংস্থার সঙ্গে। আদালতে কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, এই জয় এস কামদার সোনা পাপ্পুর খুব ঘনিষ্ঠ। সোনা পাপ্পুর মতো ‘ক্রিমিনালের’ সঙ্গে জয় এস কামদারের বিরাট নেক্সাস। এর সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। ধৃত ব্যবসায়ী জয় এস কামরদারকে আদালতে পেশ করে ED দাবি করে, জমি সংক্রান্ত ব্যবসায় বেআইনিভাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করেছে সে। আদালতে ED জানিয়েছে, তদন্তে নেমে সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড নামে একটি কোম্পানির হদিশ মিলেছে, যার একজন ডিরেক্টর জয় এস কামদার। অন্যদিকে, আরেকটি কোম্পানির খোঁজ মিলেছে এস পি কনস্ট্রাকশন নামে, যার মালিকানা রয়েছে সোনা পাপ্পুর নামে। ED-র দাবি, সেই কোম্পানির অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা যাচ্ছে, সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর সংস্থার প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। ED-র আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘আমরা হেফাজত চাইছি। তদন্তে অনেক তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। অন্যান্য সন্দেহভাজনের সঙ্গে এই অভিযুক্তর যোগ আছে। এছাড়া সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামে রেজিস্টার কোম্পানি, যার নাম হ্যাভেন ভ্যালি, সেই কোম্পানিরও সঙ্গে জয় এস কামদার এর আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে ইডির পক্ষ থেকে। তদন্তকারীরা জানতে চায়, সোনা পাপ্পুর মতো ‘ক্রিমিনালের’ সঙ্গে জয় এস কামদারের সম্পূর্ণ যোগসূত্র কী। এছাড়াও আর্থিক তছরুপে কারা এই ব্যবসায়ীকে সাহায্য করেছে, সেটা জানার দরকার রয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা।

পাশাপাশি, এই মামলায় কারা লাভবান, তা জানার জন্য এই বেহালার ব্যবসায়ীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন ইডি অধিয়ারিকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *