Bank Strike : ২৭ জানুয়ারি ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, টানা ৩ দিন পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- আগামী ২৭ জানুয়ারি, সোমবার দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ওই দিন ব্যাঙ্ক কর্মচারী সংগঠনগুলির ডাকে জাতীয় স্তরে ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। ফলে সাধারণ গ্রাহকদের ভোগান্তির সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগেই ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি সরকারি ছুটি থাকায়, ধর্মঘট কার্যকর হলে টানা তিন দিন সরকারি ব্যাঙ্কের শাখা পরিষেবা বন্ধ বা আংশিকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
ব্যাঙ্ক কর্মীদের প্রধান সংগঠন ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই তারা পাঁচ দিনের কর্মসপ্তাহ চালুর দাবি জানিয়ে আসছে। ইউনিয়নের দাবি, ২০২৪ সালের মার্চে মজুরি সংশোধন চুক্তির সময় ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এর সঙ্গে সব শনিবার ছুটি রাখার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল। কিন্তু এখনও সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি।
এই দাবি নিয়ে চিফ লেবার কমিশনারের মধ্যস্থতায় বৈঠক হলেও কোনও ইতিবাচক সমাধান হয়নি বলে দাবি ইউনিয়নগুলির। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ইউএফবিইউ জানিয়েছে, ধর্মঘটের সিদ্ধান্তে তারা অনড় রয়েছে।
ধর্মঘট হলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে সরকারি ব্যাঙ্কগুলিতে। এর মধ্যে রয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক অফ বরোদা সহ অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক।
বর্তমানে ব্যাঙ্ক কর্মীরা প্রতি মাসে দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার ছুটি পান। ইউনিয়নগুলির বক্তব্য, পাঁচ দিনের কর্মসপ্তাহ চালু হলেও কাজের সময় কমবে না। কারণ সোমবার থেকে শুক্রবার প্রতিদিন অতিরিক্ত ৪০ মিনিট কাজ করতে রাজি কর্মীরা।
ইউনিয়ন আরও জানিয়েছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, এলআইসি, স্টক এক্সচেঞ্জ এবং বহু সরকারি দফতরে ইতিমধ্যেই পাঁচ দিনের কর্মসপ্তাহ চালু রয়েছে। তাই ব্যাঙ্কগুলিতেও একই ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়েছে।
এদিকে, বেশিরভাগ সরকারি ব্যাঙ্ক আগাম গ্রাহকদের সতর্ক করেছে। ধর্মঘট হলে শাখা পরিষেবা, চেক ক্লিয়ারেন্স ও কাউন্টার সংক্রান্ত কাজ ব্যাহত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। তবে এইচডিএফসি, আইসিআইসিআই, কোটাক মাহিন্দ্রা-র মতো বড় বেসরকারি ব্যাঙ্কে এই ধর্মঘটের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম।
গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় ব্যাঙ্কিং কাজ আগেভাগেই সেরে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ।
