আজকের দিনেবাংলার আয়না

Agnimitra-Uttara Kanya : প্লাস্টিক-ময়লার বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে ফাইন উত্তর কন্যায় বৈঠকে জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিজস্ব প্রতিনিধি:- শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায় অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। পৌর পরিষেবা উন্নয়ন, অবৈধ পার্কিং নিয়ন্ত্রণ, মানব পাচার রোধ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকিকরণ নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে।

মাদ্রাসা শিক্ষার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষার সমন্বয় হওয়া জরুরি। তাঁর মতে, মুসলিম সমাজের ছাত্রছাত্রীরাও যাতে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইএএস বা অন্যান্য উচ্চপদস্থ পেশায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যেই মাদ্রাসাগুলিতে আধুনিক শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো হবে।

পরিবেশ রক্ষায় রাজ্য সরকার বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে বলেও জানানো হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যজুড়ে প্লাস্টিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রকাশ্য রাস্তায় ময়লা বা আবর্জনা ফেললেও জরিমানার মুখে পড়তে হবে সাধারণ মানুষকে। প্রশাসনের দাবি, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব শহর গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ।

অবৈধ পার্কিং সমস্যার সমাধানেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে রাস্তার একপাশে পার্কিংয়ের অনুমতি থাকলেও বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হবে। পার্কিং ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করতে সংস্থার মাধ্যমে স্লিপ-ভিত্তিক পার্কিং চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।পৌর পরিষেবা আরো স্বচ্ছ করতে একাধিক নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নির্মল সাথী ও নির্মল বন্ধুদের কাজের ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হবে। এছাড়াও বর্জ্য সংগ্রহকারী গাড়িগুলিতে ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বসানো হবে, যার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।শহরের ব্যস্ত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে দিনে অন্তত দু’বার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিষেবা প্রদানকারী কর্মীদের আর্থিক ২০০ টাকা করে পান তাদেরকেই আরও ২০০ টাকা অতিরিক্ত সহায়তা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে মন্দিরভিত্তিক ফুলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যেসব বড় মন্দিরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ফুল ব্যবহৃত হয়, সেই ফুল পুনর্ব্যবহার করে ধূপকাঠি তৈরির প্রকল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে স্থানীয় স্তরে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন।এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের পরিচালিত অমৃত টু প্রকল্পের জন্য কোটি কোটি টাকা কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আগের সরকারকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও দার্জিলিংসহ বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা থাকায় প্রকল্পের বাস্তবায়ন বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে কোনও অনিয়ম বা গাফিলতির প্রমাণ মিললে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *