আজকের দিনেখেলাতিলোত্তমা

ডুরান্ড কাপ থেকে বাদ অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- ডুরান্ড কাপের গ্রুপ বিন্যাস ইতিমধ্যে হয়ে গেছো । ২৪ দলের টুর্নামেন্টে গ্রুপ A-তে একসঙ্গে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল। ফলে গ্রুপ পর্বেই মরশুমের প্রথম ডার্বি। তবে এবারের বড় চমক, গতবার ফাইনাল খেলা ডায়মন্ড হারবার এফসি এবার টুর্নামেন্টেই নেই। ২৫ জুলাই কলকাতায় শুরু, ২৩ আগস্ট যুবভারতীতে ফাইনাল।

এশিয়ার প্রাচীনতম ফুটবল টুর্নামেন্ট ডুরান্ড কাপের ১৩৫তম সংস্করণের গ্রুপ বিন্যাস ঘোষণা হল বুধবার। ছ’টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে ২৪টি দলকে। প্রতি গ্রুপে চারটি করে দল। সবচেয়ে নজরকাড়া গ্রুপ A। সেখানে একসঙ্গে রাখা হয়েছে কলকাতার দুই প্রধান মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ও ইস্টবেঙ্গল এফসিকে। বাকি দুই দল সিআইএসএফ ফুটবল দল এবং সাউথ ইউনাইটেড এফসি। টানা কয়েক বছর একই গ্রুপে থাকায় এবারও গ্রুপ পর্বেই ডার্বি দেখবে কলকাতা। যদিও বড় ম্যাচের তারিখ এখনও ঘোষণা হয়নি। মনে করা হচ্ছে অগাস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে হতে পারে মরশুমের প্রথম ডার্বি। গ্রুপ B-তে রয়েছে মহমেডান স্পোর্টিং। তাদের সঙ্গে ইন্ডিয়ান আর্মি, বাগপট এফসি এবং সমলেশ্বরি স্পোর্টিং।

তবে এবারের ডুরান্ড কাপের সবচেয়ে বড় খবর ডায়মন্ড হারবার এফসির অনুপস্থিতি। গতবছর রূপকথার দৌড়ে সবাইকে চমকে দিয়ে ফাইনালে উঠেছিল কিবু ভিকুনার দল। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলের মতো হেভিওয়েটদের হারিয়ে রানার্স হয় ডায়মন্ড হারবার। বাংলার ফুটবলে নতুন শক্তি হিসেবে উঠে এসেছিল তারা। সেই দলই এবার টুর্নামেন্টের ২৪ দলের তালিকায় নেই। আয়োজকদের তরফে সরকারিভাবে কারণ জানানো হয়নি। তবে ফুটবল মহলের ধারণা, ক্লাবের আর্থিক সমস্যা ও দল গঠন নিয়ে জটিলতার কারণেই সরে দাঁড়াতে হয়েছে তাদের। গতবারের ফাইনালিস্ট না থাকায় টুর্নামেন্টের গ্ল্যামার কিছুটা হলেও কমবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আইএসএল থেকে এবার খেলছে ছ’টি ক্লাব – মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহমেডান, জামশেদপুর এফসি, নর্থইস্ট ইউনাইটেড ও স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি।

পাঁচটি শহরে হবে এবারের ডুরান্ড – কলকাতা, রাঁচি, ইম্ফল, শিলং ও গুয়াহাটি। নকআউট পর্ব হবে কলকাতা, রাঁচি ও শিলংয়ে। ২৫ জুলাই কলকাতায় উদ্বোধনী ম্যাচ। যুবভারতী ও কিশোর ভারতীতে হবে কলকাতার ম্যাচগুলি। দুটি কোয়ার্টার ফাইনাল ও একটি সেমিফাইনালও হবে কলকাতায়। ফাইনাল ২৩ আগস্ট যুবভারতীতে। এবার সাতটি নতুন দল অভিষেক করছে। তার মধ্যে আছে শ্রীলঙ্কার সশস্ত্রবাহিনীর দল ডিফেন্ডারর্স এফসি এবং মেঘালয়ের চ্যাম্পিয়ন নংকসে এসএস।

তবে টুর্নামেন্টের আগে বিদেশি ফুটবলার নিয়ে জটে ক্লাবগুলি। এখনও ভিসা ছাড়পত্র দেয়নি AIFF। কতজন বিদেশি খেলানো যাবে তাও স্পষ্ট নয়। গতবছর বিদেশির সংখ্যা কমানো নিয়ে চিঠি দিয়েছিল মোহনবাগান। এবারও একই আবেদন হবে কিনা তা এখনও অজানা।

ডুরান্ড কাপ বরাবরই কলকাতা ময়দানের আবেগ। ডার্বি গ্রুপ পর্বে হওয়ায় শুরুতেই উত্তেজনা তুঙ্গে। কিন্তু গতবারের রানার্স ডায়মন্ড হারবার এফসি-র সরে দাঁড়ানো বাংলার ফুটবলের জন্য বড় ধাক্কা। নতুন শক্তি হিসেবে উঠে আসা দলটির না থাকা টুর্নামেন্টের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রভাব ফেলবেই। এখন দেখার, বিদেশি-জট কাটিয়ে ক্লাবগুলো কতটা গুছিয়ে নামতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *