প্রেম মানে না বাধা: জেল সুপারের সঙ্গে কয়েদির চারহাত এক
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- সমাজে একটা প্রবাদ রয়েছে ‘লাভ ইজ় ব্লাইন্ড’, ‘প্রেম অন্ধ’। প্রেমে পড়লে মানুষের নাকি ভাল, মন্দ, ঠিক, ভুল এইসবের কোনও হিসেবই নাকি থাকে না! সদ্য মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে ঘটেছে এমনই একটি ঘটনা। ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতে, এই কথাই বলছেন অনেকে। যেখানে জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন অ্যাসিসন্ট্যান্ট সুপারিনটেন্ডেন্ট বরমাল্য গলায় দিলেন, এক কয়েদির! কয়েদি বলা অবশ্য ভুল, একটা সময়ে কয়েদি থাকলেও, বিয়ের সময়ে সাজামুক্ত হয়েছিলেন তিনি।
মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলায় ঘটনাটি ঘটেছে। জেলে অ্যাসিসন্ট্যান্ট সুপারিনটেন্ডেন্টের দায়িত্ব পালন করছিলেন, ফিরোজা খাতুন। সাতনা সেন্ট্রাল জেলের অ্যাসিসন্ট্যান্ট সুপারিনটেন্ডেন্টের দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। সেখানেই তাঁর আলাপ হয়, ধর্মেন্দ্র সিংহর সঙ্গে। সেই সময়ে, ওয়ারেন্ট ইন চার্জের বিশেষ দায়িত্ব পালন করছিলেন ফিরোজা খাতুন। ছতেরপুর জেলার চান্দলার বাসিন্দা এই ধর্মেন্দ্র সিংহ। ২০০৭ সালে একজন কাউন্সিলরকে খুন করে, পুঁতে ফেরার অভিযোগ জেলবন্দি ছিলেন এই ধর্মেন্দ্র সিংহ। সূত্রের খবর, জেলে থাকার সময়ে, বন্দিদের ওয়ারেন্ট সংক্রান্ত কাজে এই ফিরোজা খাতুনের সাহায্য করতেন ধর্মেন্দ্র। সেই থেকেই ২ জনের কথোপকথন শুরু হয়। একসঙ্গে কাজ করতে করতে, প্রথমে কাজের জন্যই কথোপকথন হত। তারপরে সেই কথোপকথন মোড় নেয় বন্ধুত্বের দিকে, তারপরেই প্রেমে পড়েন তাঁরা।
মে মাসের ৫ তারিখ, ছতেরপুর জেলায়, মহা সমারোহে, অগ্নিসাক্ষী রেখে, সাত পাকে বাঁধা পড়েন ধর্মেন্দ্র ও ফিরোজা। যদিও ফিরোজার পরিবার এই বিয়ে মেনে নেয়নি।
