আজকের দিনেতিলোত্তমা

সিইও দপ্তরে এসইউসিআই-এর বিক্ষোভে রণক্ষেত্র স্ট্র্যান্ড রোড

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা,কলকাতা: ভোটার তালিকায় নাম বাদ দেওয়া এবং ভুয়ো নাম ঢোকানোর অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠল কলকাতার ধর্মতলা সংলগ্ন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক -এর দপ্তর। বুধবার এসইউসিআই-এর প্রতিবাদ মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় ধস্তাধস্তি বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা।

এদিন দুপুর থেকেই স্ট্র্যান্ড রোড ও হেয়ার স্ট্রিট এলাকায় জমায়েত করতে শুরু করেন এসইউসিআই সমর্থকরা। মিছিলটি কমিশনের দপ্তরের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তা আটকে দেয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তুমুল ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ব্যারিকেডের ওপর উঠে স্লোগান দিতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। বিক্ষোভের জেরে দীর্ঘক্ষণ স্তব্ধ হয়ে পড়ে স্ট্র্যান্ড রোডের একাংশ। হাওড়াগামী বাস ও অন্যান্য যানবাহন সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। অফিস ফেরত যাত্রী ও সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার থেকেই সিইও দপ্তর রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছে। গতকাল এক ব্যক্তির ব্যাগ ভর্তি প্রচুর সংখ্যক ‘ফর্ম ৬’ (নাম তোলার আবেদনপত্র) নিয়ে কমিশনে ঢোকাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধেছিল। তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা ওই ব্যক্তিকে আটকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং স্বতঃপ্রণোদিত মামলাও রুজু করেছে। একের পর এক বিক্ষোভের জেরে কমিশনের দপ্তরের সামনে নিরাপত্তা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে যেখানে ১৪৪ ধারা জারি ছিল, আজ সেখানে নতুন করে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। এসইউসিআই নেতৃত্বের দাবি, “রাজ্যের বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিন রাজ্যের লোকেদের নাম ঢোকানো হচ্ছে। এর শেষ দেখে আমরা ছাড়ব।” বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হলেও এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের সশস্ত্র বিভাগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *