আজকের দিনেখেলাবিশ্বভারত

NZ VS IND : বৃষ্টি সহায়! ব্যাটিং বিপর্যয় সত্ত্বেও নিউজিল্যান্ডকে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে হারাল ভারত

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, স্পোর্টস ডেস্ক:- ভারতের সামনে লক্ষ্য ছিল ‘নামমাত্র’ (NZ VS IND)। মাত্র ১৩৫ রান। রোহিত-শুভমান-কোহলি সমৃদ্ধ ব্যাটিং লাইনআপের কাছে এই রান তো হেসেখেলে টপকে যাওয়ার কথা (NZ VS IND)। কিন্তু ক্রিকেটে শেষ বলের আগে কিছুই বলা যায় না। আর সেটাই প্রমাণ হল ওয়েলিংটনে। ব্যাটিং বিপর্যয়, বৃষ্টি, নাটক – সব মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত ডিএলএস পদ্ধতিতে ৪ রানে জিতে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত (NZ VS IND)। এদিনও বৃষ্টি পিছু ছাড়ল না। এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর শুরু হল ম্যাচ। ওভার কমে দাঁড়ায় ৪৭-এ। টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক শুভমান গিল (NZ VS IND)। আর সেই সিদ্ধান্তই সঠিক প্রমাণিত হল।

 

পছন্দসই আবহাওয়ায় খেল দেখালেন কাশ্মীরি পেসার আকিব নবি (NZ VS IND)। বলে খুব একটা গতি নেই, তবে এত দেরিতে সুইং ভাঙে যে কিউয়ি ব্যাটাররা বোকা বনে গেলেন। তার সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের পিচের বাড়তি বাউন্স (NZ VS IND)। উইল ইয়ংকে যেভাবে আউট করলেন, সেটাই তার প্রমাণ। প্রথম বল বাউন্সে বিভ্রান্ত, পরের বল সুইংয়ে খোঁচা দিতে বাধ্য। পরে ড্যারিল মিচেল আক্রমণাত্মক হতে চাইলে গিল উইকেটকিপার কেএল রাহুলকে এগিয়ে নিয়ে আসেন (NZ VS IND)। ফলে সামনে এগিয়ে খেলার রাস্তা বন্ধ। অধৈর্য হয়ে চালাতে গিয়ে অক্ষর প্যাটেলের বলে ৫৫ রানে আউট মিচেল। শেষ পর্যন্ত ৩১ রান দিয়ে নবির (NZ VS IND) সংগ্রহ ২ উইকেট।

 

নবির অস্ত্র যদি সুইং হয়, তাহলে গুর্নুর ব্রারের শক্তি পেস ও বাউন্স (NZ VS IND)। উচ্চতা কাজে লাগিয়ে পিচ থেকে বাড়তি বাউন্স পান। সঙ্গে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার গতি। ৩০ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিলেন তিনি (NZ VS IND)। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৩৪ রানে অলআউট হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। মিচেলের ৫৫ আর মিচেল স্যান্টনারের ৩১ রান না হলে আরও বড় লজ্জা অপেক্ষা করছিল (NZ VS IND) কিউয়িদের সামনে।

 

জবাবে ভারত এই রান সহজে তুলে ফেলবে, এটাই আশা করছিলেন ভক্তরা (NZ VS IND)। কিন্তু ভাবনার উল্টো পথে হাঁটলেন টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটাররা। শুরুতেই ধাক্কা। দ্বিতীয় ওভারেই জেকব ডাফির বলে শূন্য রানে ফিরলেন শুভমান গিল (NZ VS IND)। ক্রিজে তখন রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। কোহলি রানের খাতা খুললেন ‘ভিন্টেজ’ কভার ড্রাইভ দিয়ে। মনে হচ্ছিল প্রথম ম্যাচের ফর্ম বজায় থাকবে। কিন্তু পরের ওভারেই ডাফির বলেই কভারে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন (NZ VS IND) কোহলি, মাত্র ৭ রানে।

 

এরপর রোহিতের একটি ক্যাচ পড়েছিল (NZ VS IND)। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না হিটম্যান। কাইল জেমিসনের বলে ১২ রান করে ফিরলেন তিনি। ম্যাথু ফিশারের বলে ৭ রান করে আউট অক্ষর প্যাটেল। তখন ক্রিজে শ্রেয়স আইয়ার ও কেএল রাহুল (NZ VS IND)। জয়ের জন্য তখন প্রয়োজন ৫৩ রান, হাতে ৬ উইকেট। বোলারদের বদ্ধভূমি হয়ে ওঠা বাইশ গজে ভালোই লড়ছিলেন দুজনে। কিন্তু ৩০ রান করে জেমিসনের শিকার হলেন শ্রেয়সও (NZ VS IND)। ডাফিকে ছক্কা মেরে পাল্টা লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেন রাহুল।

 

এরপর নমন ধীর ১২ রান করে ফেরেন। মাত্র ১ রান করে আউট হর্ষিত রানা। ২৬ ওভারের শেষে ভারতের স্কোর ১১৩/৭। (NZ VS IND) জয়ের জন্য ১২৬ বলে প্রয়োজন আর ২২ রান। হাতে মাত্র ৩ উইকেট। চাপ তখন চরমে। এর মধ্যেই ফের বৃষ্টি নামল ওয়েলিংটনে। বন্ধ হয়ে গেল খেলা। তবে বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার সময় ডিএলএস নিয়মে  (NZ VS IND)এগিয়ে ভারত। ২৬ ওভার শেষে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান ছিল ১০৯। সেখানে ভারতের রান ১১৩। অর্থাৎ ডিএলএসের হিসাবে চার রানে এগিয়ে রোহিতেরা। শেষ পর্যন্ত আর শুরু করা যায়নি ম্যাচ।

 

রাহুল অপরাজিত থাকেন ৩৮ বলে ২৬ রানে (NZ VS IND)। তার ধৈর্যশীল ইনিংসই শেষ পর্যন্ত ভারতকে বাঁচিয়ে দিল। ব্যাটিং বিপর্যয় সত্ত্বেও বৃষ্টি আর ডিএলএস-এর সৌজন্যে জয় পেল ভারত। সিরিজ এখন ২-০। একদিকে বোলারদের দাপটে খুশি টিম ম্যানেজমেন্ট, (NZ VS IND) অন্যদিকে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা নিয়ে চিন্তা বাড়ল। পরের ম্যাচে ক্লিন সুইপের লক্ষ্যে নামবে মেন ইন ব্লু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *