Police Station Puja : থানায় কালীপুজো ফেরানোর প্রস্তাব ধর্মীয় নয়, বঙ্গ সংস্কৃতির অংশ মত শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- থানায় কালীপুজো ও কালীমন্দির রাখা না-রাখা নিয়ে আলোচনা ফের জনমানসে (Police Station Puja)। রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় তাঁর জেলা বীরভূমের পুলিশ মহলকে থানায় কালীপুজো ফিরিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি কোনও ধার্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বঙ্গ সংস্কৃতির অংশ (Police Station Puja) হিসাবেই দেখা উচিত।
মন্ত্রীর দাবি, রাজ্যের পুলিশের নিজস্ব সংস্কৃতির অঙ্গ ছিল থানায় কালীপুজো (Police Station Puja)। রসিকতার ছলেই তিনি রঘু ডাকাতদের কালীপুজোর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, থানায় মন্দির বা মূর্তি থাকলে পুলিশও অপরাধী ধরতে বেরনোর আগে মা কালীর আশীর্বাদ নিতে পারবে (Police Station Puja)। বাম আমলে একটি পর্যায়ে থানায় কালীপুজোর সংস্কৃতি অলিখিত ভাবে বন্ধ করা হয়, যদিও কোনও সরকারি নির্দেশ জারি হয়নি। তখন এ নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক হয়েছিল। রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থানায় কালীপুজোর সংস্কৃতি ফিরে এলে অবাক হওয়ার কিছু নেই বলেই মত (Police Station Puja) ওয়াকিবহাল মহলের।
মা কালীকে শাক্তমতে বিশ্বপ্রকৃতির আদিশক্তি হিসেবে কল্পনা করা হয়, (Police Station Puja) যাঁর রোষ অশুভ শক্তির বিনাশক। কালীপুজোর রাতে আলো জ্বালানো অশুভ বিনাশের পর প্রজ্ঞার আলোর প্রতীক। এর মধ্যে আধ্যাত্মিক ভাব ছাপিয়ে চিরন্তন সংস্কৃতির উদযাপন রয়েছে। যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে থানায় কীভাবে পুজো হতে পারে, (Police Station Puja) তাঁদের মনে রাখতে হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরস্বতী পুজো বা কলকারখানায় বিশ্বকর্মা পুজো নিয়েও কেউ প্রশ্ন তোলে না, এমনকি নবান্নের পূর্ত দফতরও বিশ্বকর্মা পুজো করে। এগুলিকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বঙ্গীয় সংস্কৃতির অঙ্গ হিসেবে দেখাই শ্রেয়। তবে এই সংস্কৃতি-চর্চার সঙ্গে রসিদ কেটে চাঁদা তোলার বিষয়টি যাতে যুক্ত না হয়, (Police Station Puja) তা খেয়াল রাখতে হবে।
