আজকের দিনেতিলোত্তমাপূজা দর্পনবাংলার আয়না

Festival Guidelines : কালীপুজোর আগে কড়া নবান্ন! অনুমতি ছাড়া ফানুস ওড়ালেই বিপদ, গ্রিন বাজি নিয়ে বড় নির্দেশ

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- কালীপুজোর আগে বাজি ও ফানুস নিয়ে কড়া অবস্থান রাজ্য প্রশাসনের (Festival Guidelines)। যত্রতত্র ফানুস ওড়ানোয় এবার থেকে লাগবে নিয়মের বেড়াজাল। রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, লাইসেন্স ও অনুমতি ছাড়া ফানুস বা এয়ার বেলুন ওড়ানো যাবে না (Festival Guidelines)। অন্যদিকে নবান্ন থেকে স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ গ্রিন বাজি ব্যবহারে জোর দিলেন।

 

প্রতি বছর কালীপুজোর আগে বাজির পাশাপাশি বাজারে রমরমিয়ে বিক্রি হয় ফানুস (Festival Guidelines)। উৎসবের মরশুমে বাড়ির ছাদ থেকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে যত্রতত্র ফানুস ওড়ানো হয়। দেখতে সুন্দর লাগলেও এই ফানুস থেকেই ঘটে বড়সড় দুর্ঘটনা (Festival Guidelines)। জ্বলন্ত অবস্থায় ফানুস বাড়ির ছাদে, খড়ের গাদায় বা বিদ্যুতের তারে পড়ে আগুন লাগার ঘটনা নতুন নয়। এমনকি বিমান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটাতে পারে এই ফানুস বা এয়ার (Festival Guidelines) বেলুন।

 

সেই কারণেই এবার কড়াকড়ির পথে হাঁটল রাজ্য পুলিশ (Festival Guidelines)। রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তা জানান, অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়া ফানুস বা এয়ার বেলুন ওড়ানোর ঘটনায় একাধিক দুর্ঘটনা ঘটে। (Festival Guidelines) দুর্ঘটনা এড়াতেই তাই ফানুস ব্যবহারে নির্দিষ্ট নিয়ম মানা বাধ্যতামূলক। লাইসেন্স ছাড়া যেখান সেখান থেকে ফানুস ওড়ানো যাবে না। প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে (Festival Guidelines) ফানুস ওড়াতে হবে।

 

এদিন রাজ্যে কালীপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করে পুলিশ ও প্রশাসন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সহ শীর্ষ আধিকারিকরা (Festival Guidelines)। এরপর নবান্নের সভাঘর থেকে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করা হয়। সেখান থেকেই স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ গ্রিন বাজি ব্যবহারে জোর দেন (Festival Guidelines)। তিনি স্পষ্ট করে দেন, সাইলেন্ট জোন অর্থাৎ হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, বৃদ্ধাশ্রমের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। সেখানে নীরবতা বজায় রাখতেই হবে। উৎসবের দিনগুলিতেও সাইলেন্ট জোনে (Festival Guidelines) সবসময়ই নীরবতা পালন করতে হবে।

 

কালীপুজোর আগে বাজি বাজারের উপর কড়া নজরদারি (Festival Guidelines) থাকবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রসচিব। কোথায় কী বাজি বিক্রি হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখবে প্রশাসন। তিনি বলেন, “নিজের আনন্দ যেন অন্যের দুঃখের কারণ না হয় (Festival Guidelines)।” প্রশাসনের কড়াকড়ির চেয়ে মানুষের সচেতনতা বেশি জরুরি বলেও মনে করেন তিনি। তাই বাজি ব্যবহার নিয়ে সকলের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সবার আগে মানুষকে সচেতন হওয়ার (Festival Guidelines) বার্তা দেন তিনি। সাধারণ মানুষের অভিযোগ জানানোর জন্য চালু করা হচ্ছে কন্ট্রোল রুম। বাজি নিয়ে কারও কোনও অভিযোগ থাকলে কন্ট্রোল রুমে জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। নিষিদ্ধ বাজির বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান ও উৎসবের দিনগুলিতে (Festival Guidelines) পুলিশের পেট্রোলিং চলবে বলেও জানিয়েছে প্রশাসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *