Tarapith Hotel Fire : ফের আগুন তারাপীঠে! ভোররাতে অভিজাত হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, বীরভূম :- মাস দুয়েকের ব্যবধানে ফের তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড (Tarapith Hotel Fire)। মঙ্গলবার ভোররাতে রামপুরহাট-তারাপীঠ রোডের অভিজাত বেসরকারি লজ ‘গডস কাউন্টি’-তে আগুন লাগাকে কেন্দ্র করে তুমুল আতঙ্ক ছড়ায় (Tarapith Hotel Fire)। গত আগস্টে হোটেলে আগুন লেগে ৯ জনের মৃত্যুর স্মৃতি এখনও টাটকা, তার মধ্যেই ফের একই ঘটনায় আতঙ্কিত পর্যটক ও স্থানীয়রা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, (Tarapith Hotel Fire) মঙ্গলবার ভোর প্রায় ৪টে নাগাদ লজের দ্বিতীয় তলার ২০১ নম্বর রুমে প্রথম আগুন দেখা যায়। প্রাথমিক তদন্তে দমকল জানিয়েছে, ওই ঘরের বিছানা থেকেই আগুনের সূত্রপাত (Tarapith Hotel Fire)। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা লজ। অন্যান্য ঘরগুলিও ধোঁয়ায় ভরে যাওয়ায় আবাসিকদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একটি ইঞ্জিন ও রামপুরহাট (Tarapith Hotel Fire) থানার পুলিশ। দমকলকর্মীদের তৎপরতায় প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই, (Tarapith Hotel Fire) লজে থাকা সমস্ত আবাসিক নিরাপদে রয়েছেন। তবে ঘরের আসবাবপত্র সহ বেশ কিছু জিনিস পুড়ে গিয়েছে।
আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয় (Tarapith Hotel Fire)। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল আধিকারিকরা। পাশাপাশি হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিকঠাক ছিল কিনা (Tarapith Hotel Fire), পর্যাপ্ত ফায়ার এক্সটিংগুইশার ও বেরোনোর রাস্তা ছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত আগস্ট মাসে তারাপীঠের একটি (Tarapith Hotel Fire) লজে ভোররাতে আগুন লেগে ৯ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার পর জেলা প্রশাসন তারাপীঠ ও রামপুরহাট এলাকার একাধিক হোটেলের নিরাপত্তা (Tarapith Hotel Fire) খতিয়ে দেখে কয়েকটি হোটেলকে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। এর পরেও রামপুরহাটের একটি হোটেলের রান্নাঘরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
পরপর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তারাপীঠের হোটেলগুলির (Tarapith Hotel Fire) নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে। তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে প্রশাসনকে আরও কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় (Tarapith Hotel Fire) বাসিন্দা ও পর্যটকরা। আপাতত ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও দমকল বিভাগ।
