আজকের দিনেতিলোত্তমাবাংলার আয়না

Kolkata Police : পুজোর ভিড়ে হারালে আর ভয় নেই!পঞ্চমী থেকেই পথে নামছে লালবাজারের ‘বন্ধু কলকাতা’

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- দুর্গাপুজো মানেই তিল ধারণের জায়গা নেই কলকাতার (Kolkata Police) রাস্তায়। আর সেই ভিড়েই সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়ে শিশু ও বয়স্করা। ভিড়ের মধ্যে হাত ছাড়লেই নিখোঁজ হওয়ার আশঙ্কা। এই সমস্যার সমাধানে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। পঞ্চমীর বিকেল থেকেই শহরজুড়ে পথে নামছে ‘বন্ধু কলকাতা’র বিশেষ গাড়ি। লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে থেকেই কলকাতা পুলিশের ১০টি ডিভিশনে ১০টি বিশেষ গাড়ি ঘুরবে (Kolkata Police)। আজ, বৃহস্পতিবারই লালবাজারে এই গাড়িগুলির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন লালবাজারের শীর্ষ আধিকারিকরা।  প্রতিটি গাড়িতে থাকছে বিশেষ টিম। একজন সাব ইন্সপেক্টর বা অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর, একজন কনস্টেবল, (Kolkata Police) একজন মহিলা কনস্টেবল এবং রাজ্য সরকারের সহযোগী দপ্তর ও এনজিও-র একজন কর্মী।

 

কীভাবে কাজ করবে এই ‘বন্ধু কলকাতা’? (Kolkata Police)

পুলিশ জানিয়েছে, পুজোর ভিড়ে নিখোঁজ হওয়ার পর শিশুরা প্রচণ্ড ভয় পেয়ে হতভম্ব হয়ে যায়। তাই তাদের স্বাভাবিক করতেই গাড়ির ভিতর থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা। গাড়িগুলি সাজানো থাকবে রঙিন বেলুন দিয়ে (Kolkata Police)। ভিতরে থাকবে চিপস, চকোলেট। নিখোঁজ শিশুদের হাতে সেগুলি তুলে দিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার করবেন পুলিশকর্মীরা। এরপর বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ ঘুরে ঘুরে পুলিশকর্মীরা দেখবেন কোনও শিশু বা প্রবীণ নিখোঁজ হয়েছেন কিনা (Kolkata Police)। উদ্ধার করার পর তাঁদের নিকটবর্তী থানায় নিয়ে যাওয়া হবে। শিশুদের রাখা হবে থানার চাইল্ড ফ্রেন্ডলি রুমে, যেখানে মহিলা পুলিশকর্মীরা তাদের (Kolkata Police) দেখভাল করবেন যাতে কোনও অসুবিধা না হয়।

 

অন্যদিকে, কোনও পুজো মণ্ডপে যদি (Kolkata Police) কোনও অভিভাবক তার সন্তান বা পরিবারের প্রবীণ সদস্য নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জানান, সেই তথ্য সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। সেই থানা থেকে কলকাতার সমস্ত থানায় সেই খবর (Kolkata Police) ছড়িয়ে দেওয়া হবে। সেই সূত্র ধরেই দ্রুত পরিবারের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে নিখোঁজদের। এই গাড়িগুলি ভোররাত পর্যন্ত শহরজুড়ে টহল দেবে। শুধু পুলিশই নয়, এই মানবিক উদ্যোগে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে (Kolkata Police) রাজ্য সরকারের একাধিক দপ্তর ও বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। পুজোর আনন্দ যাতে সকলের জন্য নিরাপদ হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *