আজকের দিনেবাংলার আয়না

CANNING : ক্যানিং হাসপাতালের ডেপুটি সুপারের বিরুদ্ধে সাফাই কর্মীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিজস্ব প্রতিনিধি:- ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের এক চুক্তিভিত্তিক সাফাই কর্মীকে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অত্যাচার ও কাজ ছাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠল হাসপাতালের ডেপুটি সুপারের বিরুদ্ধে (CANNING) । রবিবার রাতে বহু ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই সাফাই কর্মী। বর্তমানে তিনি হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন।

আক্রান্তের নাম দীপাঞ্জন ঘটক, বাড়ি ক্যানিংয়ের তালদি গ্রামে (CANNING)। পরিবারের অভিযোগ, ডেপুটি সুপার বসুমিতা আঢ্য দীপাঞ্জনকে দিয়ে শুধু সাফাই নয়, দুর্ঘটনায় জখম রোগীদের সেলাই, ড্রেসিং এমনকি ব্লাড স্যাম্পেল কালেকশনের মতো কাজও করাতেন। পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিগত ফাইফরমাসও করানো হতো।

দীপাঞ্জনের মা রানু ঘটকের দাবি, বিগত দুই মাস ধরে ছেলেকে নানা ভাবে মানসিক চাপ দেওয়া হচ্ছিল। হাসপাতালের দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবাদ করায় কাজ থেকে বরখাস্ত করার হুমকিও দেওয়া হয়। রানু ঘটক আরও বলেন, “ছেলের মা অসুস্থ, সংসার ওর রোজগারের উপর নির্ভরশীল। এই কথা জানানোর পরেও সহানুভূতি না দেখিয়ে উল্টে আত্মহত্যা করতে বলা হয়।”

এরপর মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকেন দীপাঞ্জন। রবিবার সন্ধ্যায় বাড়িতেই একসঙ্গে অনেকগুলি ঘুমের ওষুধ খেয়ে নেন তিনি। পরিবারের লোকেরা তড়িঘড়ি উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ঘটনার পর সোমবার দুপুরে রানু ঘটক ক্যানিং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন (CANNNING) । পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে।

এ বিষয়ে ডেপুটি সুপার বসুমিতা আঢ্যের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হাসপাতালেও দেখা করতে চাননি। হাসপাতাল সুপার অপূর্বলাল সরকারও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।

একজন চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে কাজের বাইরে অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপিয়ে মানসিক হেনস্থার অভিযোগ ঘিরে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে এখন চাপা উত্তেজনা। পুলিশি তদন্তের পাশাপাশি স্বাস্থ্য দপ্তর কী পদক্ষেপ নেয় সেদিকেই নজর সকলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *