আজকের দিনেতিলোত্তমা

KUNAL GHOSH : কুণাল-আখরুজ্জামান দ্বৈরথে তুলকালাম বিধানসভায়, মার্শাল ডেকে সাসপেন্ড বেলেঘাটার বিধায়ক

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা :- বিধানসভায় ফের দুই তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘাত। বুধবার অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধে বিরোধী মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামানকে বাধা দেওয়ায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত মার্শাল ডেকে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষকে (KUNAL GHOSH) বাইরে বার করে দেওয়ার নির্দেশ দেন স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু। একদিনের জন্য সাসপেন্ডও করা হয় তাঁকে।

বিধানসভা গঠনের পর থেকেই কালীঘাটপন্থী এবং বিদ্রোহী তৃণমূলের মধ্যে সংঘাত প্রকাশ্যে। বিরোধী দল হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঋতব্রতের তৃণমূল, যার মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান।বুধবার প্রথমার্ধে কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদ অভিযোগ তোলেন, বলার লিস্টে নাম থাকা সত্ত্বেও মুখ্য সচেতক তা কেটে দিচ্ছেন। দ্বিতীয়ার্ধে আখরুজ্জামান বক্তব্য রাখতে উঠলে তাঁকে বাধা দেন কুণাল ঘোষ (KUNAL GHOSH)। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওয়েলে নেমে প্রতিবাদ জানান শংকর ঘোষ, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ বিজেপি ও বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়করা।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতেই স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বার করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় ৩৪৮/২ ধারায় নোটিস দিয়ে কুণালকে সাসপেন্ডের প্রস্তাব দেন (KUNAL GHOSH)। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিখ্যাত করার দরকার নেই, একদিনের জন্য করা হোক।” ধ্বনি ভোটে প্রস্তাব পাশ হয়।শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, “এমন অসভ্যতামি বিধানসভায় আগে দেখিনি। আখরুজ্জামান সাহেবকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করতে গিয়েছিলেন কুণাল।” পাল্টা আখরুজ্জামান বলেন, “৮০ জন বিধায়ক রয়েছেন। সবাইকে বলতে দিলে সময় হবে না। কে বলবে তা আমরা ঠিক করব।”

একদিকে কালীঘাটপন্থী বিধায়কদের অভিযোগ তাঁদের বলতে দেওয়া হচ্ছে না, অন্যদিকে বিরোধী মুখ্য সচেতকের যুক্তি সময়ের অভাব। এই দ্বৈরথের জেরে বিধানসভার ভাবমূর্তি ফের প্রশ্নের মুখে। মার্শাল ডেকে বিধায়ককে বের করে দেওয়ার ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *