চোখের চিকিৎসাকে হাতিয়ার করে এবার বিদেশ যাওয়ার অনুমতি পেতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- চোখের চিকিৎসাকে সামনে রেখে ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটের তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের তরফে মঙ্গলবার আইনজীবী সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা আছে। তবে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চোখের চিকিৎসার কারণে বিদেশে যেতে চান অভিষেক। সেই কারণেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।
এই বিষয়ে সাত দিনের অনুমতি চেয়েছেন ডায়মন্ড হারবার তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে জানা গেছে, অভিষেকের বিদেশ যাত্রায় কোনও বাধা না থাকলেও, একাধিক বিচারাধীন মামলায় নাম রয়েছে তার। তাই সেই ক্ষেত্রে তদন্তে সহযোগিতা করতে বলেছে আদালত। এই পরিস্থিতিতে চোখের চিকিৎসা কারণে বিদেশ যেতে আদালতের অনুমতি, চাইলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে মুর্শিদাবাদে একটি দলীয় কর্মসূচি থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় পড়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম দেশের একাধিক হাসপাতাল তো বটেই, বিদেশে গিয়েও চিকিৎসা করান তিনি। সেইসময় রাজ্যের শাসকের নেতৃত্ব ছিল তৃণমূলের হাতে। ফলে বার বার বিরোধীরা খোঁচা দিয়েছে রাজ্যে হাসপাতাল থাকতে কেন বার বার তৃণমূলের সেনাপতিকে বিদেশে যেতে হচ্ছে চিকিৎসা করাতে? এবার সেই বিদেশ যাত্রাকে হাতিয়ার করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের শোচনীয় পরাজয়ের পর দলও কার্যত দল ভেঙে খান খান। দলের বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন একদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ থাকা নেতা-নেত্রীরা।
সোমবার নিউ টাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে ঋতব্রতের নেতৃত্বাধীন ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল বিশেষ অধিবেশন ডেকে জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করেছে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও জায়গাই হয়নি। দলের চেয়ারম্যান করা হয়েছে হাওড়া মধ্য কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক অরূপ রায়কে।
