Attack Oil Depot : “ইউক্রেন জ্বললে মস্কোও পুড়বে” — হুঁশিয়ারি দিয়েই রুশ তেল ভাণ্ডারে ড্রোন হামলা কিয়েভের !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- জি-৭ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যুদ্ধ থামানো নিয়ে আলোচনা সারলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তার মধ্যেই মস্কোর তেল শোধনাগারে বড়সড় ড্রোন হামলা চালাল ইউক্রেন। জেলেনস্কির হুঁশিয়ারি, “ইউক্রেন জ্বললে মস্কোও পুড়বে।”
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার একদিনেই ৫৫৫টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এর মধ্যে প্রায় ২০০টি ড্রোন মস্কোর দিকে ধেয়ে আসছিল। সব ঠেকানো যায়নি। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন স্বীকার করেছেন, বেশ কয়েকটি ড্রোন রাজধানীর একটি তেল শোধনাগারে আঘাত হেনেছে। একটি শপিং সেন্টারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আগুন ও কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে আকাশ। দমকল কর্মীরা আগুন নেভাতে তৎপর। চলতি সপ্তাহে এই শোধনাগারে এটা দ্বিতীয় হামলা। গত মঙ্গলবারও এক ইউক্রেনীয় ড্রোন আছড়ে পড়েছিল সেখানে। মস্কোর প্রায় ৪০% পেট্রল ও তেলজাত পণ্যের জোগান দেয় এই শোধনাগার। তাই রাশিয়ার জ্বালানি সংকটকে আরও ঘনীভূত করাই কিয়েভের নতুন রণনীতি বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
পাল্টা হামলা চালাচ্ছে রাশিয়াও। এই সপ্তাহে দ্বিতীয়বার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে কিয়েভ।
এর মধ্যেই জি-৭ সম্মেলনে ট্রাম্প-সহ অন্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে কথা বলেন জেলেনস্কি। যুদ্ধ থামানোর প্রসঙ্গ উঠলেও পরে সাংবাদিকদের সামনে কড়া বার্তা দেন তিনি। জানান, প্রয়োজনীয় সহায়তা বা ‘ব্যাকস্টপ’ দিতে প্রস্তুত রয়েছে আমেরিকা।
একদিকে কূটনৈতিক স্তরে যুদ্ধ থামানোর তৎপরতা, অন্যদিকে মস্কোর বুকে ড্রোন হামলা। রাশিয়ার জ্বালানি ভাণ্ডারে আঘাত করে চাপ বাড়াতে চাইছে ইউক্রেন। পাল্টা জবাব দিচ্ছে মস্কোও। জেলেনস্কি-ট্রাম্প বৈঠক শান্তির পথ খুলবে, নাকি “মস্কোও পুড়বে” হুঁশিয়ারিই সত্যি হবে — সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।
