Tiger-Kultali : কুলতলীতে ফের বাঘের হানায় মৎস্যজীবীর মৃত্যু, এক মাসে নিহত ৪ !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিজস্ব প্রতিনিধি:- দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলীতে বাঘের আক্রমণে আবারও মৃত্যু হল এক মৎস্যজীবীর। গত চার দিনে বাঘের হানায় জখম ও মৃত মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়াল চারে। এক মাসে কুলতলীতে বাঘের আক্রমণে নিহত ৪, আহত ২।
গত শুক্রবার কুলতলির দেউলবাড়ির তিন বাসিন্দা রামপ্রসাদ বাগানি, শম্ভু নস্কর ও দেবপ্রসাদ নাইয়া চাপাদারের ঘাট থেকে দোবাঁকি এলাকায় মধু সংগ্রহ করতে যান। বিকেলে আচমকা রামপ্রসাদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঘ। সঙ্গীদের চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। বাঘের গর্জনে ভয় পেয়ে দেহ ফেলেই বাড়ির দিকে ফিরতে বাধ্য হন বাকিরা।
এই মুহূর্তে সুন্দরবন এলাকায় নদীতে মাছ-কাঁকড়া ধরা ও জঙ্গলে মধু সংগ্রহে বন দফতরের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবুও পেটের টানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী-জঙ্গলে যাচ্ছেন মৎস্যজীবীরা। স্থানীয়দের দাবি, বিকল্প কর্মসংস্থানের অভাবে বাধ্য হয়েই জঙ্গলে যেতে হচ্ছে। বন দফতরের কড়াকড়ি সত্ত্বেও জীবিকার টানে প্রাণ হাতে করে মাছ-কাঁকড়া ও মধু সংগ্রহে যান তাঁরা।
পরিসংখ্যান বলছে, গত চার দিনে কুলতলিতে বাঘের আক্রমণে গুরুতর জখম হয়েছেন ৪ জন। তার মধ্যে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এক জন গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। গত এক মাসের হিসেবে কুলতলীতে বাঘের হানায় আহত ২ জন ও নিহত ৪ জন।
কুলতলিতে দিনের পর দিন বাঘের আক্রমণে মৃত্যুমিছিল বাড়ছে। বন দফতরের নিষেধাজ্ঞা ও সতর্কবার্তা থাকলেও বিকল্প রুজির ব্যবস্থা না থাকায় থামছে না জঙ্গলে যাওয়া। ফলে বাঘ-মানুষ সংঘাত আরও বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না হলে এই মৃত্যুমিছিল ঠেকানো যাবে না।
